Brands

Sort By:
View:
  • বীতশোক ভট্টাচার্য-এর অগ্রন্থিত গদ্যের সংকলন ১
    অগ্রন্থিত বীতশোক

    বীতশোক কবিতাকার, বীতশোক প্রবন্ধকার— তুল্যমান বিচারে কোন দিকটির পাল্লা ভারি হবে, সে-বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। অথবা এমন বললে যথার্থ হবে, তাঁর জীবনে কবিতা নির্মাণের পাশাপাশি ভাবনামূলক গদ্য নির্মাণের একটি সমান্তরাল ও সমৃদ্ধ ধারা প্রবাহিত ছিল। আর এ দুটো ধারা, মনে হবে, যেন পরস্পরের পরিপূরক; একে অন্যকে সাহায্য দিতে প্রস্তুত, একে অন্যকে সমর্থনে উন্মুখ। বীতশোকের কবিতার বইয়ের সংখ্যা বারোটি, তার ভেতর একটি কবিতা সংগ্রহ, যদিও সেটি নির্বাচিত ও অসম্পূর্ণ, একটি শ্রেষ্ঠ কবিতার সংকলন। তাঁর গদ্য-গ্রন্থের সংখ্যাও বারো। তবু বীতশোকের অনেক প্রবন্ধ/নিবন্ধ অগ্রন্থিত থেকে গেছে।
    প্রায় চল্লিশ বছরের সময়সীমার ভেতর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিচিত্র সব লেখাকে নানা ভাবে বিন্যস্ত করা যায়। এই সংকলনের প্রথম খণ্ডে তাঁর তরুণ বয়সের লেখাগুলো সংকলিত হল, এর সঙ্গে যুক্ত হল রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে তাঁর লেখা অনেকগুলো রচনা এবং রবীন্দ্র-পরবর্তী কবিদের বিষয়ে কিছু গদ্য। এই বিন্যাস মূলত বিষয়নির্ভর, এবং এতে বীতশোকের গদ্যশৈলীর বিবর্তনের রূপটিও একভাবে বিধৃত থাকল।

     350.00
  • জাঁ-পল সার্ত্র
    লেখকের অস্তি নাস্তি অবস্থিতি

    জাঁ-পল সার্ত্র-এর (১৯০৫-১৯৮০) ষাট এবং সত্তর বছরে নেওয়া দুটি সাক্ষাৎকার নিয়ে এই বই।

    প্রথম সাক্ষাৎকারটি যখন দিচ্ছেন, তার কিছু পরেই সাহিত্যে নোবেল নিতে অস্বীকার করছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি শেষ হচ্ছে এই প্রত্যাখ্যান নিয়ে তাঁর ক্ষুরধার বক্তব্য দিয়ে, ‘কোন আকাদেমি বা কোন পুরস্কারের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি না।… আমার বই যদি লোকে পড়ে, তবে সে-ই হতে পারে আমার সেরা সম্মান।’

    দশ বছর পরে তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন, চোখে আর দেখতে পান না মোটেই, ভাবছেন কী ভাবে তাঁর কাজ চালিয়ে নিয়ে যাবেন, কিন্তু একই সঙ্গে জানাচ্ছেন, ‘আমার মন দশ বছর আগের মতোই এখনও সমান ধারালো— ধার বাড়েনি হয়তো, কিন্তু কমেও যায়নি।’

    বিশ শতকের অদম্য এই মেধাজীবীর বহু বিষয়ে ভাবনার প্রাসঙ্গিকতাকে খানিক স্পর্শ করা যাবে এই বইয়ে।
    সংকলন ও ভাষান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য

    64 pages, 1st boipattor edition, New reprint

     100.00
  • প্রমথ চৌধুরী
    আত্মকথা

    “যে-প্রমথ চৌধুরীকে দেশের শিক্ষিত সমাজ জানে, বাংলা সাহিত্যিক গদ্যে নব রীতির প্রবর্তক, বুদ্ধির বিদ্যুৎদীপ্ত পরিহাস-রসিক ‘বীরবল’, ‘সবুজ পত্র’-এর সম্পাদক ও লেখক, যাঁর চমক লাগানো বাকচাতুরী সংস্কারলেশহীন দৃঢ় ঋজু মনের ঈষৎ বাঁকা বহিঃপ্রকাশ— এই আত্মকথা সেই প্রমথ চৌধুরীর মন ও ভাষার ভিত্তি গড়নের ইতিহাস। প্রমথবাবুর লেখার যারা পাঠক, তারা এ বই সাদর কৌতূহলে পড়বে।… কিন্তু সাহিত্যিকের আত্মকথা হিসাবেই এ বইয়ের আকর্ষণ নয়। এ আত্ম-কাহিনীতে যে-সব ঘটনা ও লোকের বর্ণনা আছে তা এমন নিপুণ রেখায় আঁকা, এমন কৌতুকহাস্যে সমুজ্জল যে নিজ গুণেই তা সাহিত্য হয়ে উঠেছে।” এ কথা ভূমিকায় লিখেছিলেন অতুলচন্দ্র গুপ্ত। কিন্তু এ বই গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল অনেক কাল আগে, তারও পরে লেখক বিভিন্ন পত্রে ‘আত্মকথা’র আরও কয়েকটি পর্ব লিখেছিলেন, সে সমস্তের অধিকাংশ উদ্ধার করে, একত্র করে এই সংস্করণ।

     

     160.00
  • বের্টোল্ট ব্রেখট
    ক-বাবুর যত কথা

    বের্টোল্ট ব্রেখট ক-বাবুর এই সমস্ত ‘কথা’ লিখেছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে, গত শতকের বিশ থেকে পাঁচের দশক জুড়ে, বিপ্লব ও বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল আবহে। ক-বাবুর এ সমস্ত কথার আয়তন খুব বেশি নয়, কখনও তা দু-এক লাইন, কখনও দু-এক অনুচ্ছেদেই শেষ। এ সবের মধ্যে কাহিনির আভাস থাকলেও বোঝা যায় যে লেখকের মূল লক্ষ্য কাহিনি বা আখ্যানের বর্ণনা নয়, বরং কোন ঘটনা বা আচরণ বা পরিস্থিতির চকিত ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ। কখনও তার রূপ সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের, কখনও আর-একটু বিস্তৃত ভাষ্যের। সেদিক থেকে এ সবের ধরন প্রাচীন প্যারাবল বা নীতিসূত্রের মতো, কিংবা সংক্ষিপ্ত উপাখ্যান বা অ্যানেকডোটের মতো। এর অধিকাংশেই কোন বিশেষ ঘটনা বা আচরণ বা বিষয়ের প্রেক্ষিতে ক-বাবু তাঁর নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। ক্ষুরধার সে বক্তব্য, অতিরিক্ত একটা কথাও সেখানে নেই, এবং প্রায়ই তা প্রচল ধারণার বিপরীত মত ও পথের সন্ধানী। সঙ্গত অনুমান যে, ক-বাবুর বক্তব্য আসলে স্বয়ং লেখকেরই, ক-বাবু আসলে তিনি নিজেই। ক-বাবু কথা বলেন সার্বজনিক সুরে। রাজনীতি থেকে ঈশ্বর, প্রেম থেকে সত্যের স্বরূপ— সবই তাঁর আলোচ্য। ফলে দেশ-কালের গণ্ডিতে তা আটকে থাকে না। আর সে কারণেই এ সমস্ত কথা আজও সমান প্রাসঙ্গিক, হয়তো বা একটু বেশিই প্রাসঙ্গিক।

    পরিবর্ধিত প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ১২২ পৃষ্ঠা

     160.00
  • শ্রীগিরিশচন্দ্র বেদান্ততীর্থ
    বঙ্গে দুর্গোৎসব

    ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত এই পুস্তকের নিবেদন অংশে গিরিশচন্দ্র বেদান্ততীর্থ লিখেছিলেন, “বাঙ্গালী পাঠকপাঠিকাগণ ইহা পাঠ করিয়া দুর্গাপূজা–রহস্য ও বাঙ্গালীর পুরাতন অবস্থা কিয়ৎপরিমাণে পরিজ্ঞাত হইলেও স্বকীয় পরিশ্রম… সফল মনে করিব।”

    গিরিশচন্দ্রের জন্ম ময়মনসিংহে। অধ্যাপনা করেছেন রাজশাহীর রানি হেমন্তকুমারী সংস্কৃত কলেজে। রাজশাহীর বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। এই পুস্তকে তিনি মহিষাসুরের জন্মবৃত্তান্ত, কাত্যায়নী নাম-নিরুক্তি, মহিষাসুরের স্বপ্নবৃত্তান্ত, ব্রহ্মশাপবৃত্তান্ত, দেবীর বর্ণ, মৃন্ময়ী মূর্ত্তিতে দুর্গাপূজা, বিসর্জ্জন, দেবীপুরাণ ও কালিকাপুরাণ, দুর্গোৎসবের কাল, নবদুর্গা, পদ্ধতিবিবরণ, দুর্গারহস্য ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ : কৌলীন্যমার্গ রহস্য, সরস্বতী তন্ত্র, প্রাচীন শিল্প পরিচয়। সম্পাদনা করেছেন : পুরুষোত্তম ভাষাবৃত্তি, তারাতন্ত্র, কুলচূড়ামণিতন্ত্র ইত্যাদি। ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’তে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নানা প্রবন্ধ।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ৬৪ পৃষ্ঠা

     100.00
  • ছুদেন কাবিমো
    ফাৎসুঙ্‌ : দার্জিলিং পাহাড়ের মাটির কথা 

    ‘ফাৎসুঙ্‌’ একটা লেপচা শব্দ, যার অর্থ মাটির কথা। কালিম্পং শহরের পটভূমিতে লেখা ছুদেন কাবিমো-র সাম্প্রতিক এই সাড়া-জাগানো নেপালি উপন্যাসটি আসলে দার্জিলিং-এর জন্য লড়াই করা সেই শত-শত যুবকের গল্প, যাদের স্বপ্ন মিলিয়ে গেছে। এ সেই দীর্ঘশ্বাসের গল্প, যাদের সময় ফুরিয়ে গেছে। এ একটা শহিদ হয়ে-যাওয়া স্বপ্ন, যার জন্য হাজার-হাজার মানুষ অবলীলায় বাজি রেখেছিল জীবনকে। জাতিগত পরিচয়-সত্তার স্বীকৃতি দাবির আন্দোলনকে দেখার এ একটা জানালা, দার্জিলিং পাহাড়ের জীবন ও সংগ্রামের জলজ্যান্ত এক ধারাবিবরণীও বটে। বাঙালি পাঠকের জন্য এ বই মূল নেপালি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন শমীক চক্রবর্তী।

    প্রথম সংস্করণ, ১৫৬ পৃষ্ঠা

     200.00
  • সুহৃদকুমার ভৌমিক
    শব্দ ও বানান

    শব্দ ও বানান প্রসঙ্গে নামপ্রবন্ধে এ দুটি শব্দের উৎস ও প্রাথমিক অর্থ থেকে লেখক ক্রমে চলে গেছেন ভাষাতত্ত্বের আলোচনায়। এ দেশের বিভিন্ন আদিবাসী ও জনজাতি গোষ্ঠীর ভাষায় তাঁর সহজ যাতায়াত। এরকম বেশ কয়েকটি ভাষার পঠন-পাঠন ও চর্চায় তাঁর ভূমিকা প্রশ্নাতীত। ফলে এ বিষয়ে তাঁর আলোচনা একেবারেই ভিন্ন গোত্রের এবং দিকনির্দেশক।

    এ বইতে রয়েছে ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব সংশ্লিষ্ট এরকম আরও কয়েকটি প্রবন্ধ। যেমন উরাঁউ বা ওরাঁওদের ভাষা নিয়ে একটি প্রবন্ধে ভাষার দিক দিয়ে তিনি তাঁদের শ্রেণিবিভাগ করেছেন। আবার র-প্রত্যয়ের উৎস নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি অসুর সম্প্রদায়ের কথা বিশদে বলেছেন। বাঙালি ও বঙ্গাব্দের উৎস একটি প্রবন্ধে তিনি যেমন বঙ্গাব্দের উৎস চিহ্নিত করেছেন, তেমনি মেঘদূত-এর ছন্দ নিয়ে আলোচনার সূত্রে এই কাব্যের পরিচিত কয়েকটি শব্দ নিয়ে সংগত প্রশ্ন তুলেছেন। আরেকটি প্রবন্ধে ‘গান্ধী’কে ‘গাঁধী’ লেখার যে কোন যুক্তিই থাকতে পারে না, তা স্পষ্ট করেছেন।

    ভাষা নিয়ে একেবারেই ভিন্ন ভাবনার বই।

    48 পৃষ্ঠা, 980 কেবি

     40.00
  • শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায়
    উদরপুরাণ এবং অন্যান্য বৈঠকি গল্প  

    পটলডাঙায় চাটুজ্জেদের রোয়াক থেকে বাহাত্তর নম্বর বনমালী নস্কর লেন হয়ে তা-বড়ো বাবু ও বিবির বৈঠকখানায়-মজলিশে-আসরে-বাসরে যে-অফুরান আড্ডা-সংস্কৃতি বজায় রেখেছে বাঙালি, তার কোন ইতিহাস লেখা হয়নি আজও। আড্ডা-সাহিত্য বলে আমাদের তেমন কিছু নেই। যা আছে, তা হল বহু প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা অজস্র গালগপ্পো। গালগপ্পোর সঙ্গে আড্ডার সম্পর্ক দু-ভাবে : এক ধরনের গালগপ্পো আড্ডাজাত, আড্ডা ছাড়া আর কোন কারখানা থেকেই তা উৎপন্ন করা যাবে না; আর-এক ধরনের গালগপ্পো আড্ডা-উপযোগী, অর্থাৎ যা জুতসই ভাবে পরিবেশিত হলে যে-কোন আড্ডাই জমে উঠতে বাধ্য। এরকমই কিছু গালগপ্পো করা হয়েছে এখানে, যাকে আমরা ‘বৈঠকি গল্প’ বলা সংগত মনে করেছি। বাঙালির আড্ডার ‘হেভি ইন্ডাস্ট্রি’ এককালে যে-সব রথী-মহারথীর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল, তাঁদের বেশির ভাগই নেই আজ। কিন্তু যাঁরা নিদেনপক্ষে কুটিরশিল্প চালাতে উৎসাহী, তাঁদের এসব রসদ কিছু পরিমাণে কাজে লাগবে বলে আশা করা যায়।

    প্রথম সংস্করণ, ২১৬ পৃষ্ঠা

     280.00
  • ফালগুনী রায়
    আমার রাইফেল আমার বাইবেল

    হাংরি প্রজন্মের কবি-লেখকদের মধ্যে ফালগুনী লেখার গুণে যেমন, তেমনই জীবনযাপনের কারণেও কিংবদন্তি। মাত্র ছত্রিশ বছর বেঁচেছিলেন ফালগুনী, তার মধ্যেই এমন অমোঘ সব লেখা তিনি লিখেছিলেন, যার আবেদন বছর-চল্লিশেক পরেও এতটুকু কমেনি। শুধু কবিতা নয়, নানা সময়ে গদ্য, নাটক, চিত্রনাট্য ইত্যাদিও তিনি লিখেছিলেন, এবং তা একই রকম জোরালো।

    ফালগুনীর প্রায় যাবতীয় লেখাপত্র নিয়ে এই সংকলন। চেষ্টা করা হয়েছে তাঁর সমস্ত লেখাই সাল-তারিখ অনুযায়ী সাজাতে, এবং প্রত্যেক রচনার শেষে তার উল্লেখ আছে।

    বাংলা সাহিত্যের পাঠকের অবশ্যপাঠ্য এই বই।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ১১২ পৃষ্ঠা

     160.00
  • মানিক দাস

    আশপাশের মানুষজন

    অসমের প্রেক্ষাপটে বস্তুত এ এক প্রেমের আখ্যান। অসংখ্য দ্বন্দ্বতন্তুর অনিঃশেষ কাটাকুটিতে নির্মিত এই আখ্যান কার্যত অসমিয়া-বাঙালির সম্পর্ক ও সম্পর্কহীনতার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের জলছবি। মানুষজনের দ্বন্দ্ব, সামাজিক অস্থিরতা, সংশয়, উদভ্রান্তি ও স্বার্থপরতা এই যাপনকথায় প্রকট।

    লেখক অসমবাসী। অসম ও বাংলায় সুপরিচিত। অসমিয়া ও বাংলা, দুই ভাষাতেই তিনি লেখেন। ফলে তাঁর বয়ানে এ আখ্যানের গুরুত্ব অন্যরকম হতে বাধ্য। এ বয়ানের পরতে-পরতে ক্রমোন্মোচিত অভিজ্ঞতার নির্যাসে রয়েছে সমাজ-বাস্তবতার উজ্জ্বল উপস্থিতি। একটি প্রণয়োপাখ্যানকে কেন্দ্র করে এ হল আশপাশের মানুষজনের চলমান জীবনালেখ্য।

    অসমে সাম্প্রতিক সমস্যার প্রেক্ষিত বুঝতে বাংলা সাহিত্যে এই নতুনতর সংযোজন অনেকটাই সাহায্য করবে।

     495.00
  • আরণ্যক টিটো
    ফুলেরা পোশাক পরে না

    ‘লেখা’ শব্দটি ক্রিয়া। ক্রিয়া ব্যতীত কোন মানুষ নেই, এমনকী প্রকৃতিজগতে অন্যান্য প্রাণীও। এই ব্রহ্মাণ্ড ক্রিয়াশীল… সচলতা ছাড়া জীবন চলে না! আর এই লেখালিখি, ক্রিয়া, বিষয়টার সাথে, মনের মাজারে নড়নচড়নমনা বাউলটার (নন্দনতাত্ত্বিক) মরমযাতনা আছে! যার মর্মে কানাকানি জানাজানি করে জীবনপ্রকৃতি, তার কাঙ্ক্ষা— প্রাপ্তি ও হতাশার দ্বান্দ্বিক মিথষ্ক্রিয়ায় যে রসটুকু বের হয়ে আসে তারই সার এই লেখা! এই লেখালেখি ‘আড়াই অক্ষরে’ বলা যেতে পারে নিজেকে/প্রকৃতিকে বিনির্মাণ কিংবা প্রকাশ…

    আর এই প্রকাশতত্ত্বের পথে (দীর্ঘ ২৪ বৎসরের বাক্যচর্চার সারমর্ম) ‘ফুলেরা পোশাক পরে না’ প্রথম পদক্ষেপ… যেখানে ১৭৮টি কবিতায় (পুরুষবাদিতা কিংবা নারীবাদিতার বিপরীতে) ধরতে চাওয়া হয়েছে এমন এক (নন্দনতাত্ত্বিক) অভিসন্দর্শন— মর্মটুকু এই: শিল্প হলো অর্ধনারীশ্বর যাহার অর্ধেক শিব, অর্ধেক পার্বতী…

    এই বইদেশে ভুমিকা না শুনে ভিতরে ঢোকেন… এটুকু কেবলি ইঙ্গিত, এর পাতায় পাতায় ভাঁজে ভাঁজে লুক্কায়িত মর্মকে জানতে পাঠ করুন, নক্‌শিকথায় বোনা সুতোর কাহন… উদ্‌যাপনের কথামালা… বাংলাসাহিত্যের অর্ধনারীশ্বরকাণ্ড… বিশ্বদৃষ্টির পরম্পরা… ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যতাবাদী এককের বিপরীতে সমগ্রতার যুক্তাঞ্চল!… যার রচয়িতা মারা গেছে সৃজন বর্ষায়, খুঁজেও পাবেন না তাহাকে জলের বাসরে…

     295.00
  • সুহৃদকুমার ভৌমিক
    শব্দ ও বানান

    শব্দ ও বানান প্রসঙ্গে নামপ্রবন্ধে এ দুটি শব্দের উৎস ও প্রাথমিক অর্থ থেকে লেখক ক্রমে চলে গেছেন ভাষাতত্ত্বের আলোচনায়। এ দেশের বিভিন্ন আদিবাসী ও জনজাতি গোষ্ঠীর ভাষায় তাঁর সহজ যাতায়াত। এরকম বেশ কয়েকটি ভাষার পঠন-পাঠন ও চর্চায় তাঁর ভূমিকা প্রশ্নাতীত। ফলে এ বিষয়ে তাঁর আলোচনা একেবারেই ভিন্ন গোত্রের এবং দিকনির্দেশক। এ বইতে রয়েছে ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব সংশ্লিষ্ট এরকম আরও কয়েকটি প্রবন্ধ। যেমন উরাঁউ বা ওরাঁওদের ভাষা নিয়ে একটি প্রবন্ধে ভাষার দিক দিয়ে তিনি তাঁদের শ্রেণিবিভাগ করেছেন। আবার র-প্রত্যয়ের উৎস নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি অসুর সম্প্রদায়ের কথা বিশদে বলেছেন। বাঙালি ও বঙ্গাব্দের উৎস একটি প্রবন্ধে তিনি যেমন বঙ্গাব্দের উৎস চিহ্নিত করেছেন, তেমনি মেঘদূত-এর ছন্দ নিয়ে আলোচনার সূত্রে এই কাব্যের পরিচিত কয়েকটি শব্দ নিয়ে সংগত প্রশ্ন তুলেছেন। আরেকটি প্রবন্ধে ‘গান্ধী’কে ‘গাঁধী’ লেখার যে কোন যুক্তিই থাকতে পারে না, তা স্পষ্ট করেছেন।

     60.00
  • রুই জিঙ্ক
    ঘটনাতত্ত্বের পবিত্র গ্রন্থ

    মূল পর্তুগিজ থেকে ভাষান্তর : ঋতা রায়

    আর সব মতবাদ বাদ দিয়ে একুশ শতকে চলবে শুধু ঘটনাতত্ত্বের রাজ।
    রাজনৈতিক ভাবে এখন সঠিক-এর স্বৈরতন্ত্র চলছে।
    আজ প্রয়োজন শুধু নিখাদ দেশভক্তির।

    আধুনিক পর্তুগিজ লেখকের বয়ানে চরম বাস্তবের প্রতিফলন।
    পাঠক তা দিব্যি মিলিয়ে নিতে পারবেন নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে।

     225.00
  • প্রমথ চৌধুরী জীবনভর বিদ্যাচর্চা করেছেন ও সেই সঙ্গে ছোট-বড় নানান পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ ও পত্র-প্রবন্ধ লিখেছেন। সে সবের কিছু অংশ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলেও তার বাইরে রয়ে গেছে আরও অসংখ্য রচনা, বাংলা সাহিত্যের যা অমূল্য সম্পদ। টীকাভাষ্য-সহ এমন কিছু ‘অগ্রন্থিত রচনা’ই এই দ্বিতীয় খণ্ডে পাঠকের জন্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     50.00
    Version : ebook - hardcopy
  • Browse Wishlist

    প্রমথ চৌধুরী জীবনভর বিদ্যাচর্চা করেছেন ও সেই সঙ্গে ছোট-বড় নানান পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ ও পত্র-প্রবন্ধ লিখেছেন। সে সবের কিছু অংশ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলেও তার বাইরে রয়ে গেছে আরও অসংখ্য রচনা, বাংলা সাহিত্যের যা অমূল্য সম্পদ। টীকাভাষ্য-সহ এমন কিছু ‘অগ্রন্থিত রচনা’ই এখানে পাঠকের জন্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     50.00
    Browse Wishlist
  • অভী চৌধুরী
    রবীন্দ্রনাথের গান : গানের তথ্য গানের সত্য

    রবীন্দ্রনাথের গানের সূত্রে রচিত এই গ্রন্থটি বস্তুত শিল্পসৃষ্টির রহস্য অনুধাবনের একটা প্রয়াস মাত্র। আর তার পাশাপাশি শিল্প-আস্বাদনের সময় শিল্পসৃষ্টির কালে, শিল্পীর চেতনায় যে-অভিঘাতটি কাজ করে বা যে-প্রত্যক্ষ ঘটনা বা তথ্য একজন শিল্পীকে শিল্প নির্মাণের দিকে উস্‌কে দেয়— সেই তথ্যকে জড়িয়ে নেয়াটা শিল্প-আস্বাদনে কতটুকু জরুরি, তারও একটা বিবেচনা রয়েছে এখানে। আর এ কাজ করতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের গানের তথ্যানুসন্ধান এবং তথ্যকে আস্বাদনকালে সম্পৃক্ত করবার বিষয়টি বেছে নেওয়া হয়েছে। আশা করি, এই অনুসন্ধান এবং অনুসন্ধান-পরবর্তী সিদ্ধান্তটি অপরাপর শিল্পের ক্ষেত্রেও বোধের অভিন্নতা তৈরি করবে। নির্বাচিত একশোটি গান নিয়ে এই অনুসন্ধান।

     70.00
    Version : ebook - hardcopy