Brands

Sort By:
View:
  • এদুয়ার্দো গালেয়োনো
    আলিঙ্গনের বই 

    ‘ভুলে যাওয়া স্বপ্ন’ গল্পে ক্লারিবেল তাঁর বান্ধবীর ভুলে যাওয়া স্বপ্নগুলোকে পুঁটুলি বেঁধে রেখেছিলেন। কিন্তু তাঁর বাচ্চারা সে-জায়গাটা খুঁজে পেয়ে যাওয়ায়, নাজেহাল ক্লারিবেল বাধ্য হন বান্ধবীকে ফোন লাগাতে – “তোমার স্বপ্নগুলো নিয়ে করবটা কী বলো তো?” ‘আলিঙ্গনের বই’তে এদুয়ার্দো গালেয়ানো গল্প থেকে গল্পে লাফিয়ে যান পাহাড়ি ঝোরার উপর আলগা পাথরে পা ফেলে-ফেলে। পাঠককে বার-বার এক স্বপ্ন থেকে ঝাঁকিয়ে তুলে আর-এক স্বপ্নের আবর্তে ঠেলে দিয়ে। এই বই পড়া মানে স্বপ্নের পুঁটুলি বানানো শুরু। লেখকের স্বপ্ন, পাঠকের স্বপ্ন, স্বপ্নের সময়, বাস্তবের সময় ঘেঁটেঘুটে এক হয়ে যেতে থাকে। নাজেহাল পাঠক যদি পারতেন গালেয়ানোকে ফোন লাগাতে – “আপনার স্বপ্নগুলো নিয়ে করবটা কী বলুন তো?” আর গালেয়ানো হয়তো তখন জানাতেন যে, মৃত অবস্থাটা আসলে খুবই একঘেয়ে, এবং জীবন-মৃত্যু নিয়ে একটা নতুন বই লিখতে তিনি উৎসুক – যেমন জানিয়েছিলেন কোর্তাজার, গালেয়ানোকে, আর-এক স্বপ্নের ভিতর, বিচিত্র আলিঙ্গনে আবদ্ধ করে।
    ভাষান্তর : মধুশ্রী বসু

     485.00
  • সংবাদ-চিত্রকর চিত্তপ্রসাদ

    গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : শুভেন্দু দাশগুপ্ত

    এই বইটা চিত্তপ্রসাদকে নিয়ে, চিত্তপ্রসাদের আঁকা বিশেষ ধরনের ছবি নিয়ে। ১৯৪০-এর দশক। চিত্তপ্রসাদ তখন কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সদস্য। পার্টি-কর্মী চিত্তপ্রসাদ কমিউনিস্ট পার্টির ইংরাজি ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকা প্রথমে পিপলস ওয়র, পরে নাম বদলিয়ে পিপলস এজ-এ ছবি আঁকছেন। প্রতিবেদন লিখছেন। কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য চিত্তপ্রসাদ পার্টির কাগজের চিত্রকর, প্রতিবেদক-চিত্রকর। এই বইটা সেই সংবাদ-চিত্রকর চিত্তপ্রসাদকে নিয়ে।

    চিত্তপ্রসাদ ছবিকে, চিত্রশিল্পকে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতিকতা, রাজনীতিক আন্দোলন, রাজনীতিক প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছেন। চিত্তপ্রসাদের ছবি রাজনৈতিক। এবং এই প্রত্যেকটি ছবি ও লেখার একটা রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পটভূমি রয়েছে। তার যতটা সম্ভব, এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ছবিগুলির কয়েকটি নানা বইতে রয়েছে। বেশির ভাগই নেই। সেদিক থেকে ভাবলে বেশির ভাগ পাঠক এই সব ছবি এই প্রথম দেখবেন।

    কমিউনিস্ট পার্টির কাগজে ছাপা লেখাগুলি তো কমিউনিস্ট ভাবনার ইতিহাস— কখন, কোন্‌ সময়ে, কী বিষয়ে, কেন, কমিউনিস্ট পার্টি এমন ভেবেছে, লিখেছে, জানিয়েছে। লেখার পাশে ছবিও ইতিহাস আঁকে। ইতিহাস ব্যাখ্যা করে অন্য এক ভাষায়, অন্য এক ধরনে। চিত্তপ্রসাদ ছবি এঁকে সেই ইতিহাসের কোথাও সহকারী, কোথাও স্বাধীন রচয়িতা। সেই ইতিহাস চিত্তপ্রসাদ যেভাবে দেখেছেন, অনুভবে, ব্যাখ্যায়, পার্টির রাজনীতিক ধারণায়, নিজের রাজনীতিকতায়, শিল্পীসত্তায়, তা-ই এঁকে রেখেছেন পত্রিকার পাতায়, যা এখন ইতিহাসের মহাফেজখানায়।

    এ-ও এক ধরনের চিত্রপ্রদর্শনী। বিষয় যে-ভাবে আছে সে-ভাবে নয়, যে-ভাবে বিষয়কে দেখাতে চাওয়া, সে-ভাবে আঁকা। বাস্তবে যে-ভাবে এল, আছে, আসছে, আসবে, শুধু সে-ভাবেই নয়, বাস্তব যেমন হওয়াতে চায় শিল্পী সেই ভাবে।

    বইপত্তর (পশ্চিমবঙ্গ) ও নোকতা (বাংলাদেশ) যৌথ প্রকাশনা

     525.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    সভ্যতার সংকট ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

    গত শতকের চল্লিশের দশক নাগাদ শব্দ যুক্ত হওয়ার এক দশকের মধ্যে চলচ্চিত্র এক সাধারণ ভাষায় স্থিত হয়েছিল। সত্যজিৎ রায় সেই সব চলচ্চিত্রকারদের অন্যতম যাঁরা এই সাধারণ ভাষায় তাঁদের চলচ্চিত্রকথা রচনা করেছেন। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি শুরু হয়ে প্রায় চার দশক ধরে নির্মিত হয়েছে ইমেজ-শব্দের এক ধনী ভাণ্ডার, সূক্ষ্ম সংবেদী চিত্রালাপ— ব্যক্তি আর সমাজ প্রসঙ্গে।

    এখন, এই বছর, তাঁর জন্মশতবর্ষে পৌঁছে এই সব ছবি কি অতিক্রান্ত কোন ধ্রুপদী নির্মাণ? আমরা, বাঙালিরা, উপমহাদেশের চলচ্চিত্রজন, কি সাজিয়ে রেখেছি এই সব আশ্চর্য সম্ভার আমাদের সন্তর্পণ কোন চেতনে? যা আমাদের চলচ্চিত্র-ইতিহাসের ভেতর থেকে উৎসারিত? নাকি, সমকালের পাঠে তারা প্রাসঙ্গিক, প্রখর তারা রাজনীতি এবং ব্যক্তির বীক্ষণে, সামাজিক সংলাপে এবং ইতিহাস খননে? এই সব চিন্তা ক্রমাগত কাজ করে চলেছে এই গ্রন্থের হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায়।

    সত্যজিৎ রায়ের গল্প আর সংলাপের নুয়ান্স, সূক্ষ্ম ডিটেলের কাজ, তাঁর ভারসাম্যময় কম্পোজিশন, সংযমী সম্পাদনা নিয়ে প্রচলিত মুগ্ধ উচ্চারণের বাইরে এই চলচ্চিত্রপঞ্জি নিয়ে আর কোন পঠনপ্রক্রিয়ার মধ্যে কি প্রবেশ করা যায়? পুঁজিবাদী বিচ্ছিন্নতা, আরবান গেরিলাযুদ্ধ, বিশ শতকের নতুন তরুণের লিবিডো অথবা নাগরিকদের নৈতিকতার সংকট নিয়ে তাঁর কাছে যাওয়া যায় কি? এ সব খতিয়ে দেখতে-দেখতে প্রায় তিরিশ বছর ধরে এই গ্রন্থের নির্মাণ। চেষ্টা করা গেছে সত্যজিৎ রায়ের ধ্রুপদী ঐশ্বর্য এবং কালাতিক্রমী প্রাসঙ্গিকতার এক কম্পোজিট পাঠ উপস্থাপনের।

     485.00
  • গেরিলা গার্লস
    পাশ্চাত্য শিল্প ইতিহাস (বিষয়ক) প্রবেশিকা

    ‘গেরিলা গার্লস’ নামক নারী-শিল্পী ও নারীবাদী শিল্পীদের এক অজ্ঞাতপরিচয় দলের হাত ধরে পাশ্চাত্য শিল্পের দু-হাজার বছরের ইতিহাস নতুন চোখে দেখার সুযোগ মিলবে এই বইয়ে, জানা যাবে শিল্প-ইতিহাসের প্রকৃত ‘কে’, ‘কী’, ‘কখন’ আর ‘কেন’-র উত্তর। সরস ও বুদ্ধিদীপ্ত এই বই যে প্রথাগত ইতিহাস আর ইতিহাসবিদদের একেবারে হেঁটমুণ্ড-ঊর্ধ্বপদ করে দেবে, তা নিশ্চিত। বইটি জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য উদ্ধৃতি, কেজো তথ্য, বিখ্যাত সব শিল্পকর্মের ‘বিবর্ধিত’ প্রতিলিপি। আর এই সূত্রে তা শিল্প-ইতিহাসে এক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সংশোধনী হাজির করেছে।

     680.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    ডিজিটাল ইমেজ : রাজনীতি নন্দনতত্ত্ব ও অন্যান্য 

    প্রযুক্তি কি প্রভাবিত করে নন্দনতত্ত্বকে? শিল্পের ভাষা এবং তার রাজনীতি কি বিবর্তিত হয় প্রযুক্তির প্রভাবে? ইমেজের ডিজিটাল রূপান্তর কি প্রযুক্তির পালাবদল, না কি প্যারাডাইম শিফট? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে-খুঁজতে এই বইয়ের সূচিপত্র গড়ে উঠেছে, ক্রমে। এই সময়ে আমাদের সম্পর্কগুলো– ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র, বিশ্ব এবং মহাবিশ্বের পরিধিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ভাষায় বর্ণিত হচ্ছে। তার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রকাশ ডিজিটাল ইমেজে। এই ইমেজ মানুষের সৃষ্ট আগের সব ইমেজের চেয়ে ভিন্ন এই ভাবে যে, তা চূড়ান্ত ভাবে নমনীয়, পরিবর্তনীয় এবং তা ছাড়িয়ে যেতে পারে তার আদি স্রষ্টাকে, এবং হয়ে পড়তে পারে প্রায় স্বয়ম্ভু। ডিজিটাল ইমেজের প্রযুক্তি, নন্দনতাত্ত্বিক বাস্তবতা ও সম্ভাবনা, তার অ্যানার্কি আমাদের আগ্রহের বিষয় এই গ্রন্থে।

     385.00
  • আন্দ্রে বাজাঁ
    কাকে বলে সিনেমা?

    চলচ্চিত্রের ভাষা কখন একটি পরিণত রূপ লাভ করেছিল? তখনও পর্যন্ত চলচ্চিত্র শৈলীর মূল বিতর্কগুলো কী ছিল? নাটক বা উপন্যাসের মতো প্রাচীন অভিব্যক্তিগুলোর সঙ্গে চলচ্চিত্র কোন্‌ কানুনগুলোর ভেতর দিয়ে লেনদেন করে? অথবা আরও পিছিয়ে গিয়ে, ছবি কি বিশ্বাসের বাহন, নাকি বাস্তবের সূচক হয়ে উঠতে চায়? এই সংলাপে প্রাচীন ভাস্কর্য, চিত্রকলা আর আলোকচিত্র কী ভাবে নিজের অবস্থানকে সংহত করে—কী ভাবে প্লাস্টিক শিল্পের ইতিহাস পাঠ করব আমরা?
    এই ভাবনাগুলো মূলগত। এদের স্তরবিন্যাস বহুমাত্রিক। দর্শন এবং মনস্তত্ত্ব ইমেজ বিশ্লেষণে এখানে প্রভাবী। এই গ্রন্থের লেখক আন্দ্রে বাজাঁ সম্ভবত প্রথম চলচ্চিত্র-তাত্ত্বিক। গত শতকের চল্লিশের দশক নাগাদ চলচ্চিত্রের ভাষা যে পরিণত স্থিতাবস্থা অর্জন করেছিল তার শৈলীভাণ্ডারের মহাগ্রন্থনা করেছিলেন তিনি। ইমেজ ধারণে, সম্পাদনার পছন্দে এবং শব্দ ও নিঃশব্দের ব্যবহারে কী ভাবে চলচ্চিত্রিক বর্ণনা সম্পন্নতা অর্জন করেছিল তার বিবরণ তিনি উপস্থাপন করেছিলেন।
    ‘কাকে বলে সিনেমা?’ গ্রন্থে তার প্রস্তাব, তর্ক, সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্রতত্ত্বের সূচনা করেছিল আজ থেকে সত্তর বছর আগে। সাত দশকের পরবর্তী যাত্রায় চলচ্চিত্র নানা ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে; এই গ্রন্থ সকল পরিবর্তনের ভেতরে চিন্তাবীজ হিসেবে চলচ্চিত্রভাষার বিকাশকে পুষ্টি দিয়ে চলেছে। তার শক্তি ইতিহাস-চেতনায়, ভবিষ্যৎমুখী প্রেরণায় এবং চলচ্ছবির প্রতি নিখাদ ভালোবাসায়।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২৭৮ পৃষ্ঠা

     465.00
  • সুজান সনটাগ
    রিগার্ডিং দ্য পেইন অব আদার্স
    যে-ব্যথা আনজনের

    যুদ্ধের ছবি আসলে কী কাজ করে? কোন ছবিগুলো দেখানো হচ্ছে বারবার? কারা দেখাচ্ছে? কাদের নিষ্ঠুরতা দেখানোই হচ্ছে না? কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে? যুদ্ধের নিবারণ কি আদৌ সম্ভব? অন্যের দুর্দশার ছবি দেখতে-দেখতে কি অসাড় হয়ে যাই আমরা? অভ্যস্ত হয়ে যাই? কারা এই ‘অন্য’রা? ‘আমরা’ই বা কারা? যুদ্ধে যাঁরা গিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, মারা গিয়েছেন, তাঁদের কী-ই বা বলার থাকতে পারে আমাদের? প্রশ্ন তুলছেন সুজান সনটাগ।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ১৬৮ পৃষ্ঠা

     285.00
  • হোর্হে লুইস বোর্হেস
    কবিতার কারখানা

    আজ থেকে প্রায় অর্ধ-শতক আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রোতাদের অভিভূত করেছিল আর্হেন্তিনীয় সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর অভিভাষণ যা পরবর্তী কালে হারিয়ে যায়। সেই হারিয়ে যাওয়া মহামূল্য অভিভাষণটিই পরে ফিরে আসে অডিও টেপ থেকে লিখিত রূপে। এ যেন সাহিত্যের সঙ্গে, ইংরেজি ভাষার সঙ্গে বোর্হেসের সারা জীবনের প্রেমের গল্প। অকপট, সুরেলা, বুদ্ধিদীপ্ত ও রসবোধে পরিপূর্ণ এবং একই সঙ্গে অসাধারণ পান্ডিত্যপূর্ণ এক কণ্ঠস্বরকে আমরা এই বইতে পাই যা বিশ শতকের সব চাইতে চমকপ্রদ সাহিত্যিক কণ্ঠস্বরগুলোর একটা।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ১৩৬ পৃষ্ঠা

     225.00
  • আবীর আবদুল্লাহ
    আয়না কথা

    বাংলাদেশের আইকনিক চিত্র-সাংবাদিকদের যে লম্বা তালিকা, তার গ্রাফের ওপরের দিকে আবীর আবদুল্লাহর বাস। কাজের জায়গায় সোজা-সাপটা, বাহুল্যবর্জিত, ড্রামা-হীন একজন আলোকচিত্রী। নিজের ফটোগ্রাফি নিয়ে পরিষ্কার তাঁর লজিক এবং ব্যাখ্যা : “আমি এইভাবে দেখেছি.. বিশেষ কিছু দেখতে চাইনি…। যা আছে তাই…।”

    তেমন তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সোজা-সাপটা কথার আলোকচিত্রী। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, দৃক, পাঠশালা, ই.পি.এ, ওয়ার্ল্ড প্রেস, আর্ট বনাম ফটোগ্রাফি– এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকের আলাপচারিতা– আয়না কথা।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২১৯ পৃষ্ঠা

     385.00