Brands

Sort By:
View:
  • আন্দ্রে বাজাঁ
    কাকে বলে সিনেমা?

    চলচ্চিত্রের ভাষা কখন একটি পরিণত রূপ লাভ করেছিল? তখনও পর্যন্ত চলচ্চিত্র শৈলীর মূল বিতর্কগুলো কী ছিল? নাটক বা উপন্যাসের মতো প্রাচীন অভিব্যক্তিগুলোর সঙ্গে চলচ্চিত্র কোন্‌ কানুনগুলোর ভেতর দিয়ে লেনদেন করে? অথবা আরও পিছিয়ে গিয়ে, ছবি কি বিশ্বাসের বাহন, নাকি বাস্তবের সূচক হয়ে উঠতে চায়? এই সংলাপে প্রাচীন ভাস্কর্য, চিত্রকলা আর আলোকচিত্র কী ভাবে নিজের অবস্থানকে সংহত করে—কী ভাবে প্লাস্টিক শিল্পের ইতিহাস পাঠ করব আমরা?
    এই ভাবনাগুলো মূলগত। এদের স্তরবিন্যাস বহুমাত্রিক। দর্শন এবং মনস্তত্ত্ব ইমেজ বিশ্লেষণে এখানে প্রভাবী। এই গ্রন্থের লেখক আন্দ্রে বাজাঁ সম্ভবত প্রথম চলচ্চিত্র-তাত্ত্বিক। গত শতকের চল্লিশের দশক নাগাদ চলচ্চিত্রের ভাষা যে পরিণত স্থিতাবস্থা অর্জন করেছিল তার শৈলীভাণ্ডারের মহাগ্রন্থনা করেছিলেন তিনি। ইমেজ ধারণে, সম্পাদনার পছন্দে এবং শব্দ ও নিঃশব্দের ব্যবহারে কী ভাবে চলচ্চিত্রিক বর্ণনা সম্পন্নতা অর্জন করেছিল তার বিবরণ তিনি উপস্থাপন করেছিলেন।
    ‘কাকে বলে সিনেমা?’ গ্রন্থে তার প্রস্তাব, তর্ক, সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্রতত্ত্বের সূচনা করেছিল আজ থেকে সত্তর বছর আগে। সাত দশকের পরবর্তী যাত্রায় চলচ্চিত্র নানা ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে; এই গ্রন্থ সকল পরিবর্তনের ভেতরে চিন্তাবীজ হিসেবে চলচ্চিত্রভাষার বিকাশকে পুষ্টি দিয়ে চলেছে। তার শক্তি ইতিহাস-চেতনায়, ভবিষ্যৎমুখী প্রেরণায় এবং চলচ্ছবির প্রতি নিখাদ ভালোবাসায়।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২৭৮ পৃষ্ঠা

     465.00
  • সুজান সনটাগ
    রিগার্ডিং দ্য পেইন অব আদার্স
    যে-ব্যথা আনজনের

    যুদ্ধের ছবি আসলে কী কাজ করে? কোন ছবিগুলো দেখানো হচ্ছে বারবার? কারা দেখাচ্ছে? কাদের নিষ্ঠুরতা দেখানোই হচ্ছে না? কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে? যুদ্ধের নিবারণ কি আদৌ সম্ভব? অন্যের দুর্দশার ছবি দেখতে-দেখতে কি অসাড় হয়ে যাই আমরা? অভ্যস্ত হয়ে যাই? কারা এই ‘অন্য’রা? ‘আমরা’ই বা কারা? যুদ্ধে যাঁরা গিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, মারা গিয়েছেন, তাঁদের কী-ই বা বলার থাকতে পারে আমাদের? প্রশ্ন তুলছেন সুজান সনটাগ।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ১৬৮ পৃষ্ঠা

     285.00
  • হোর্হে লুইস বোর্হেস
    কবিতার কারখানা

    আজ থেকে প্রায় অর্ধ-শতক আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রোতাদের অভিভূত করেছিল আর্হেন্তিনীয় সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর অভিভাষণ যা পরবর্তী কালে হারিয়ে যায়। সেই হারিয়ে যাওয়া মহামূল্য অভিভাষণটিই পরে ফিরে আসে অডিও টেপ থেকে লিখিত রূপে। এ যেন সাহিত্যের সঙ্গে, ইংরেজি ভাষার সঙ্গে বোর্হেসের সারা জীবনের প্রেমের গল্প। অকপট, সুরেলা, বুদ্ধিদীপ্ত ও রসবোধে পরিপূর্ণ এবং একই সঙ্গে অসাধারণ পান্ডিত্যপূর্ণ এক কণ্ঠস্বরকে আমরা এই বইতে পাই যা বিশ শতকের সব চাইতে চমকপ্রদ সাহিত্যিক কণ্ঠস্বরগুলোর একটা।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ১৩৬ পৃষ্ঠা

     225.00
  • আবীর আবদুল্লাহ
    আয়না কথা

    বাংলাদেশের আইকনিক চিত্র-সাংবাদিকদের যে লম্বা তালিকা, তার গ্রাফের ওপরের দিকে আবীর আবদুল্লাহর বাস। কাজের জায়গায় সোজা-সাপটা, বাহুল্যবর্জিত, ড্রামা-হীন একজন আলোকচিত্রী। নিজের ফটোগ্রাফি নিয়ে পরিষ্কার তাঁর লজিক এবং ব্যাখ্যা : “আমি এইভাবে দেখেছি.. বিশেষ কিছু দেখতে চাইনি…। যা আছে তাই…।”

    তেমন তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সোজা-সাপটা কথার আলোকচিত্রী। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, দৃক, পাঠশালা, ই.পি.এ, ওয়ার্ল্ড প্রেস, আর্ট বনাম ফটোগ্রাফি– এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকের আলাপচারিতা– আয়না কথা।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২১৯ পৃষ্ঠা

     385.00