Sort By:
View:
  • আপনাকে বলছি স্যার
    বারবিয়ানা স্কুল থেকে

    ভূমিকা ও ভাষান্তর : সলিল বিশ্বাস 

    ইতালির টাসকানি প্রদেশে মুজেল্লো অঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় গোটা-কুড়ি খামার নিয়ে গঠিত একটি জনবসতি— বারবিয়ানা। জায়গাটা রুক্ষ অথচ সুন্দর। ছোট্ট একটি গির্জা আছে এখানে। ১৯৫৪ সালে পাদ্রি দন লোরেনজো মিলানি আসেন গির্জাটির ভারপ্রাপ্ত হয়ে। বারবিয়ানাতে এসে লোরেনজো মিলানি দেখলেন এ অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জগৎ বলতে প্রায় কিছুই নেই। বেশির ভাগ ছেলেমেয়েই হয় পরীক্ষায় ফেল করে স্কুল ছেড়ে দিয়েছে, অথবা যেভাবে স্কুলে শিক্ষাদান করা হয় সে বিষয়ে তাদের তিক্ততার শেষ নেই। মিলানি জড়ো করলেন দশটি ছেলেকে— এগারো থেকে তেরো বছর তাদের বয়স। তাদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যাবলি নিয়ে অনুশীলন আর সে-সব সমস্যার ভিতরে ঢোকার চেষ্টায় কাটত অনেকটা সময়। এই কাজের মধ্য দিয়ে এক বছর সময় ধরে বিশেষ একটা পরিকল্পনার রূপায়ণ হিসাবে এই স্কুলের আট জন ছাত্র ‘আপনাকে বলছি স্যার’ (Letter to a Teacher) বইটি লিখেছিল।

    দরিদ্র, গ্রাম্য স্কুলের ছেলেদের লেখা এই বই ‘আপনাকে বলছি স্যার’ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন মানুষের জীবনে আশ্চর্য পরিবর্তন এনে দিয়েছে। প্রায় সব দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিত্ততোষণ আর মধ্যবিত্ত মানসিকতা সৃষ্টির প্রক্রিয়ার উপর এই বইয়ের সরাসরি আক্রমণই দেশে-দেশে এই বইয়ের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ। এই বইয়ের ‘আমি’ আটজন তরুণ লেখকের সম্মিলিত ব্যক্তিত্ব, আর ‘আপনি’ হলেন তাদের পরিচিত সকল শিক্ষক।

     200.00
  • সুব্রতকুমার মুখোপাধ্যায়।। সুশীলকুমার বর্মন
    ঝাড়গ্রাম জেলা প্রত্ন পরিক্রমা

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমাংশে অবস্থিত ঝাড়গ্রাম মহকুমাকে ঝাড়গ্রাম জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল। ছোটনাগপুর মালভূমির অবক্ষয়িত প্রান্তভাগ এই অঞ্চল ছিল প্রাগৈতিহাসিক মানবের  চারণভূমি। মানবসভ্যতার আদি কাল থেকে আধুনিক কালে বিবর্তনের চিহ্নসমূহ সুস্পষ্ট ভাবে অঙ্কিত হয়ে রয়েছে  ঝাড়গ্রাম জেলার প্রতিটি ধূলিকণায়। যুগে-যুগে বহু ধর্মগুরু ধর্মপ্রচারে আবির্ভূত হয়েছেন জঙ্গলাকীর্ণ এই রাঢ়ভূমিতে। বহু সহস্র বছরের প্রাচীন আদিবাসী ধর্মচর্চার সমান্তরালে কখনও জৈন, কখনও বৌদ্ধ, কখনও আবার বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটেছে কঙ্করময় এই লোহিত-মৃত্তিকায়। কিন্তু আদিবাসী সংস্কৃতি ব্যতীত অন্য কোন সংস্কৃতিই এখানে স্থায়ী আসন বিস্তার করতে পারেনি। বিভিন্ন ধর্মচর্চার নিদর্শনগুলি কিন্তু থেকে গেছে ঝাড়গ্রাম জেলার আনাচকানাচে। এই জেলার পথে-ঘাটে-প্রান্তরে, বিশেষত কাঁসাই, তারাফেনি, ভৈরববাঁকি, সুবর্ণরেখা, ডুলুং, পলপলার অববাহিকায় ছড়িয়ে রয়েছে হাজার-হাজার প্রত্ন-নিদর্শন যার অধিকাংশই এ পর্যন্ত অনালোচিত বা স্বল্পালোচিত। ঝাড়গ্রাম জেলার পাহাড়-মালভূমি, গুহাকন্দর, বনজঙ্গলে নিবিড় অনুসন্ধান ও সমীক্ষায় প্রাপ্ত মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ, জমিদার-রাজাদের ইতিবৃত্ত ও ধর্ম-সংস্কৃতি বিষয়ক পুরাতাত্ত্বিক বিবরণ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে ‘ঝাড়গ্রাম জেলা প্রত্ন-পরিক্রমা’ বইটিতে। বইটি শুধু প্রত্ন-পরিক্রমা নয়, ঝাড়গ্রাম জেলা ও পার্শ্বস্থ এলাকার আঞ্চলিক ইতিহাস পরিক্রমার চাহিদাও অনেকাংশে পূরণ করবে।

     300.00
  • রুই জিঙ্ক
    বেড়াতে যাওয়ার ঠিকানা 

    মূল পর্তুগিজ থেকে ভাষান্তর : ঋতা রায়

    ড. শোভন সিনহার বাঁচার আর কোন সাধ নেই, তিনি মরতে চান। কিন্তু আত্মহত্যা করার সাহসটাও তাঁর নেই। তিনি চান তাঁকে কেউ হত্যা করুক। তাই কলকাতা থেকে তিনি পৌঁছে যান এমন এক যুদ্ধ-কবলিত এলাকায় যেখান থেকে নাকি প্রাণ নিয়ে ফেরাটাই আশ্চর্যের— অন্তত ট্যুরিজমের ব্রোশিওরগুলো তো তা-ই বলে। হাতে সময় সাত দিন ছয় রাত। ড. সিনহা কি সফল হবেন? এই নিয়ে বাংলায় অনূদিত রুই জিঙ্ক-এর নতুন উপন্যাস। এই বইয়ের বিশেষত্ব হল, এর নায়ক ‘গ্রেগ’ আসলে ভারতীয়, নাম সেরভাজিত দুভলা, স্ত্রীর নাম রুবিনা, ছেলে কৃষেণ। কোথায় থাকে পরিষ্কার করে বলা নেই, একবার মাপুসা-র উল্লেখ আছে। সেরভাজিতের মা গোয়ার, বাবা হিন্দু, কোথাকার তা বলা নেই। রুইয়ের মনে হয়েছে বাঙালি পাঠকদের কাছে পৌঁছতে হলে এদের সবাইকে কলকাতার বাঙালি করে দিতে হবে। নায়কের নামটা নিজেই দিয়েছেন — শোভন। তাই রুবিনা হয়েছে বীণা, কৃষেণ শুভজয়, মোহিনী সোহিনী। বাকিটা বিশেষ পাল্টানো হয়নি, তাই গল্পে স্কুলের বা রাস্তার সঙ্গে যদি কলকাতার স্কুলের বা রাস্তার কোন মিল না পাওয়া যায় তো পাঠক নিজগুণে ক্ষমা করবেন। এটা তো সত্যি যে লেখক এই উপন্যাস লেখার আগে কলকাতায় আসেননি। পরে অবশ্য চার বার এসেছেন এবং একা-একা পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। আপাতত প্রকাশিত হল ই-বুক হিসেবে, যথাসময়ে এর মুদ্রিত সংস্করণও পাওয়া যাবে।

     100.00
  • থিয়েটারের কথা

    ইবসেন থেকে এমিল জোলা হয়ে অগাস্ট স্ট্রিন্ডবার্গ, বার্নার্ড শ ও জন গলসওয়ার্দি, তারপর ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা, জঁ-পল সার্ত্র, ফ্রিডরিক ড্যুরেনমাট হয়ে বের্টোল্ট ব্রেখট— স্বনামধন্য ন-জন নাট্যকার ও নাট্য-পরিচালকের থিয়েটার নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লেখা এক গুচ্ছ নিবন্ধের সংকলন। এই সামান্য কয়েকটি লেখাতেই উনিশ শতকের শেষ থেকে বিশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত নাটক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নানান তত্ত্ব ও তর্ক জীবন্ত হয়ে উঠে এসেছে।

     40.00
  • সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ফ্যাসিজম

    ফ্যাসিবাদ নিয়ে এ বই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৩৪ সালে, বাংলা ভাষায় প্রথম ফ্যাসিবাদ-বিরোধী বই এটি। ১৯৩৪-এ ফ্যাসিজম-এর প্রকাশ ঘটলেও এর প্রস্তুতি চলেছিল ইতালিতে সৌম্যেন্দ্রনাথের বসবাসকালে। সোভিয়েত রাশিয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক কাজকর্মের মূল কেন্দ্র ছিল জার্মানি। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি ইতালির আল্পস ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের স্যানাটরিয়ামে চিকিৎসার জন্য আসেন ১৯৩১ সালের শেষার্ধে। ইতালিতে তখন ঘোর ফ্যাসিস্ট যুগ। ফ্যাসিস্ট তত্ত্ব ও প্রয়োগে অনুসন্ধানে ব্যাপৃত হয়ে তার ফাঁকির দিকটা বুঝে নিতে তাঁর দেরি হয়নি। মার্কসবাদী দৃষ্টিতে নিটোল যুক্তিতে ফ্যাসিস্ট তত্ত্বকে খণ্ডন করার সূত্রে এ বই আজ ঐতিহাসিক দলিল প্রায়। আমাদের দুর্ভাগ্য যে এ বইয়ের পুনঃপ্রকাশ ও পুনঃপাঠ বারে-বারেই জরুরি হয়ে পড়ে।

     60.00
  • একটি পোস্টার ওয়ার্কশপ প্রযোজনা
    পোস্টার ২০২০

    পোস্টারকে শিল্পকলার ইতিহাস পাত্তা দেয় না। তাতে কী? সে মাঠে-ঘাটে-দেওয়ালে-রাস্তাতেই খুশি। মিছিলে-শ্লোগানে-ঘোষণায়-প্রতিবাদে শামিল হয়ে সে দিব্যি আনন্দে আছে। এমনি আনন্দে থাকা একদল মানুষ, একদল শিল্পী-মানুষ রং-তুলি-কাগজ নিয়ে মাঝে-মাঝে জড়ো হন পোস্টার আঁকতে। নাকি পোস্টার লিখতে? এ নিয়ে তর্ক ওঠে চিনি-ছাড়া কালো চায়ের কাপে। কোন-কোন দিন কথা ওঠে— ‘এইবার আমাদের একটা নাম দেওয়া যাক।’ কিন্তু শেষমেশ এই ‘পোস্টার ওয়ার্কশপ’ নামটাই থেকে যায়। পোস্টার নিয়ে আলোচনার বিরতিতে কথা ওঠে একদিন একসাথে বসে পোস্টার করার। তারপর অনেক বার নিজেরা বসে পোস্টার করা ছাড়াও আমরা পোস্টার নিয়ে গেছি উত্তরপাড়া, কাঁচরাপাড়ায়। পোস্টার টাঙানো হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। বইমেলায় বন্ধুদের দোকানে থেকেছে পোস্টার আর আঁকার সরঞ্জাম। আমরা পোস্টার এঁকেছি গড়িয়াহাট ব্রিজের তলায়। সঙ্গী হয়েছি পার্ক সার্কাসের এনআরসি-বিরোধী আন্দোলনে— সেখানে মহা-উৎসাহে আন্দোলনকারীরা আমাদের সঙ্গে এঁকেছেন— মুহূর্তে সেই পোস্টার বদলে গেছে শ্লোগানে। একাধিক বার পোস্টার দেখানোর আয়োজন হয়েছে— নানা মানুষ সেখানে এসেছেন, দেখেছেন, মতামত দিয়েছেন।

    এই সব অগুনতি পোস্টার থেকে কিছু পোস্টার নিয়ে এই বই— যেটুকুর ছবি তোলা ছিল। কিছু পোস্টার রোদে পুড়ে জলে ভিজে হাতে-হাতে ছিঁড়ে গেছে— তাদের ছবি নেই। কিন্তু তাদের পোস্টার-জন্ম সার্থক হয়েছে।

     50.00
  • শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায়
    পিয়ের-অগুস্ত রেনোয়া
    এক সৌন্দর্যসাধকের জীবন ও শিল্প

    শিল্প-আন্দোলনের ইতিহাসে ইমপ্রেশনিজম এক আশ্চর্য ঘটনা। কয়েকজন তরুণের শিল্পশৈলী ব্যঙ্গার্থে এই নাম কুড়িয়েও যে শিল্পজগতে চিরস্থায়ী মর্যাদা লাভ করে তা-ই শুধু নয়, রেনেসাঁস পর্বের পর এই প্রথম আধুনিক কালে দেখা যায় সচেতন এক রীতিকেন্দ্রিক কয়েকজন মহাপ্রতিভার বিকাশ ও বিবর্তন। ইমপ্রেশনিস্টদের প্রত্যেকেই তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত সৌন্দর্যবাদী সৃষ্টি দ্বারা দর্শকচিত্ত জয় করেন। তাঁদের সকলেরই বিশিষ্টতা অতুলনীয়। কিন্তু তার মধ্যেও রেনোয়া-র স্থান বিশিষ্ট। তাঁর চিত্রকলায় আগাগোড়া ধ্বনিত এক আনন্দগান, তাঁর শিল্পভুবনে চলে এক অবিরাম আনন্দোৎসব। মনে রাখতে হবে যে, ইমপ্রেশনিস্টরা যখন সক্রিয়, তখন ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস মলিন ও বিক্ষুব্ধ। যাকে ‘রূঢ় বাস্তব’ বলি তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রেনোয়া-র কম ছিল না : ফ্র্যাংকো-প্রুশীয় মহাযুদ্ধ ও পারি কমিউন-এর সঙ্গে তিনি একজীবনে দেখেন সমাজতন্ত্রী বিপ্লব ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধও। তবু এক বিপন্ন ও ক্লেদাক্ত পৃথিবীতে বসে তিনি রচনা করেন এক অমলিন সৌন্দর্যজগৎ। তাঁর চিত্রকলায় যে-‘সেলিব্রেশন অফ লাইফ’, তার আড়ালে সাধনা অকৃত্রিম বলেই তার আবেদন আজও অটুট।

     70.00
  • নোয়াম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যান
    সম্মতি উৎপাদন : গণমাধ্যমের রাজনৈতিক অর্থনীতি

    গণমাধ্যম যে সবসময় সত্য সংবাদ প্রচার করে না, সেটা অনেকেই জানে। অনেক সময়ই গণমাধ্যম সত্য গোপন করে যায়, অনেক সময় পক্ষপাতমূলক সংবাদ প্রচার করে, এবং অনেক সময় অতিরঞ্জিত বা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যও প্রকাশ করে। বিখ্যাত লেখক, অধ্যাপক, রাজনৈতিক অ্যাকটিভিস্ট ও দার্শনিক  নোয়াম চমস্কি এবং অধ্যাপক এডওয়ার্ড এস হারম্যানের মতে গণমাধ্যমের, বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোর মূল কাজই হল গণস্বার্থবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে ক্ষমতাসীনদের স্বার্থ রক্ষা করা। সে কথাই এই বইয়ে প্রভূত উদাহরণ সহ আলোচিত হয়েছে।

     500.00
  • বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
    কামরুল হাসান

    কামরুল হাসান একজন বরেণ্য চিত্রশিল্পী। তাঁর আঁকা চিত্রকর্মের নিজস্ব রীতি ছিল লৌকিকতা আর আধুনিকতার মিশেল। শিল্পের এই মাধ্যমটিতে কামরুল হাসান আবহমান বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি – এক কথায় বাংলার সামগ্রিক রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর জীবন ও শিল্পকর্ম নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা। অসংখ্য ছবি দিয়ে সাজানো।

     500.00
  • মনিস রফিক
    তারেক মাসুদ : চলচ্চিত্রের আদম সুরত  

    ২০১১ সালের ৩ আগস্ট দুপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ। সেদিন তিনি তাঁর নয়জন সহযাত্রীকে নিয়ে তাঁর স্বপ্নের ছবি ‘কাগজের ফুল’-এর শ্যুটিং লোকেশন থেকে মাইক্রোবাসে ফিরছিলেন। শ্যুটিং মাইক্রোবাসটির দশ জনের মধ্যে পাঁচ জনকেই মৃত্যুর শীতল রাজ্যে চলে যেতে হয়। বাংলাদেশের কিংবদন্তী চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ-এর ‘কাগজের ফুল’ এর সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে পালন করছিলেন মনিস রফিক। দুর্ঘটনায় সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। তারই লেখনীতে সরল ও সাবলীল ভাবে উঠে এসেছে তারেক মাসুদের সাথে তার স্মৃতি ও তারেক মাসুদের কয়েকটি চলচ্চিত্রের আলোচনা।

     250.00
  • সাজেদুল আউয়াল
    চলচ্চিত্রকলার রূপ-রূপান্তর

    গত শতকের পাঁচের দশক থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিদ্যায়তনিক পরিসরে এবং সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্রকলা পাঠ্য হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র-সাহিত্যের ওপর প্রচুর লেখা থাকলেও এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থের অপ্রতুলতা রয়েছে। বর্তমান গ্রন্থে বাংলা ভাষায় এই কলার উদ্ভবের পিছনের বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ড ও ক্রমবিকাশের একটি ধারাক্রম অন্বেষণের চেষ্টা করা হয়েছে; চলচ্চিত্রকলার নানামুখী সংজ্ঞা এবং এর স্বরূপ সম্পর্কে আলাচনা করা হয়েছে; এই কলারূপের উপকরণের বিশেষত্ব অনুধাবনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; এর বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উপকরণসমূহের বিবরণও রয়েছে, স্বল্প পরিসরে।

     300.00
  • নোয়াম চমস্কি
    গণমাধ্যমের চরিত্র

    রাষ্ট্রশাসনের অন্যতম হাতিয়ার গণমাধ্যম। সমকালীন রাজনীতিতে তার ভূমিকা, মিথ্যে প্রচার আর তথ্যগোপনের কূটকৌশলে ব্যাপ্ত সে এক ষড়যন্ত্রের ইতিবৃত্ত। এ নিয়ে লেখার যোগ্যতম যিনি, তাঁর কলমে ক্ষুরধার এই বই।

    প্রকাশিত হল এই বইয়ের ই-ভাষ্য।

     

     40.00
  • এস বলরাম

    ডিজাইন : উপনিবেশের রীতি রাষ্ট্রের নীতি

    ভূমিকা, ভাষান্তর ও রেখাচিত্র : সোমশঙ্কর রায়

    সর্বত্র এখন ডিজাইনার-পণ্যের ছড়াছড়ি, কিন্তু আদতে ডিজাইন বস্তুটা কী? কী তার সামাজিক-রাজনৈতিক তাৎপর্য? ডিজাইন-তাত্ত্বিক সিঙ্গানাপল্লি বলরাম-এর সুখ্যাত বই ‘Thinking Design’ থেকে দুটি অধ্যায় ভাষান্তরের সূত্রে চিত্রকর ও ডিজাইন-শিক্ষক সোমশঙ্কর নিজে যেমন তা বোঝার চেষ্টা করেছেন, অনেকগুলি প্রাসঙ্গিক রেখাচিত্রে তেমনি পাঠকের কাছেও তা বিশদ করেছেন।

     30.00
  • মূল-সহ বাংলায় ভাষান্তরিত অসমিয়া বিহু গীতের সংগ্রহ
    মোষের শিঙের শিঙাটি
    সংগ্রহ সম্পাদনা ভূমিকা ভাষান্তর : মানিক দাস

    বিহু গান কে না শুনেছেন! আর একবার শুনলে তা ভালো না-লেগে কি উপায় আছে? কিন্তু যাঁরা অসমিয়া জানেন না, শুধু ভাষাগত অপরিচয়ের কারণে তার মর্ম অনুধাবনে তাঁদের ঘাটতি থেকে যায়। অসম-বাসী লেখক সংগ্রহ করেছেন, বাংলায় তার যোগ্য রূপান্তর ঘটিয়েছেন এবং চমৎকার একটি ভূমিকায় বিহু-র সামাজিক তাৎপর্য ও সার্বিক পরিচয় বিশদ করেছেন এই বইয়ে। সর্বার্থেই সংগ্রহযোগ্য।

     40.00
  • এদুয়ার্দো গালেয়োনো
    আয়না : আমাদের প্রায় সব্বার গপ্প

    কেন লিখলেন এমন একটা বই? এর উত্তরে গালেয়ানো জানিয়েছেন, “আমি আমার বইগুলো, বিশেষ করে এই শেষেরটা, ‘মিররস’, লিখেছি এটা দেখানোর জন্য যে বিশ্বের কোন জায়গাই অন্য কোন জায়গার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, কোন মানুষই অন্য কোন মানুষের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দাবি করে না। এ বিশ্বকে যারা নিয়ন্ত্রণ করে তারা আমাদের যৌথ স্মৃতিকে ছিন্ন করেছে, এবং প্রতিদিন তারা আমাদের এখনকার বাস্তবতাকেও ছিন্ন করে চলেছে। প্রভাবশালী দেশগুলোকে শিখতে হবে যে কী ভাবে ‘নেতৃত্ব’ শব্দটা ‘বন্ধুত্ব’ দিয়ে বদলে ফেলা যায়।”

    লেখক এই বইয়ে যা বলতে চেয়েছেন, যা করতে চেয়েছেন, তার ফলে নিছক গল্প-বইয়ের বদলে এ বই হয়ে উঠেছে বিশ্ব-ইতিহাসের এক বিকল্প পাঠ। এর প্রতিটি গল্প নিয়েই গুরুগম্ভীর, রীতিমতো গবেষণামূলক, দীর্ঘ প্রবন্ধ লেখা যায়, গালেয়ানো হাঁটতে পারতেন সে পথে, যদিও সে প্রবন্ধ কেতাবি মহলের বাইরে কেউ পড়ত না, আর পড়লেও মনে রাখত না। বদলে, হয়তো তিনি পাঠককেই প্ররোচিত করেছেন গবেষণার পথে, এর প্রতিটি গল্প মনোযোগী পাঠক হয়তো বিভিন্ন সূত্রে যাচাই করে নিতে চাইবেন, যদি চান, তাহলে সেখানেই লেখকের সার্থকতা।

    প্রায় ছ-শো গল্প-সম্বলিত মূল বইয়ের এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রথম ভাগ। সম্পূর্ণ বইটি মোট তিন ভাগে প্রকাশিতব্য। এই ভাগে আরও রয়েছে লেখকের নানা সময়ে দেওয়া তিনটি সাক্ষাৎকারের বয়ান। বাংলায় রূপান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য।

     385.00
  • বের্টোল্ট ব্রেখ্‌ট
    নির্বাসিতের জার্নাল

    এই বইয়ে রয়েছে কবি ও নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেখ্‌ট-এর কয়েক বছরের জার্নাল এন্ট্রি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৪০ পর্যন্ত এর ব্যাপ্তি, তার মধ্যে আবার শেষ তিন বছরের খতিয়ানই বেশি। ঘটনাচক্রে ব্রেখ্‌টের নিজের জীবনের দিক থেকে যেমন, তেমনই মানব-ইতিহাসের দিক থেকেও এই সময়কাল গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে, হিটলার ক্ষমতায় আসার (১৯৩৩) পর-পরই দেশ ছাড়তে বাধ্য হন ব্রেখট, ফেরেন প্রায় বছর-পনেরো পর। এই জার্নালের পুরোটাই তাই দেশের বাইরে, নির্বাসনে লেখা। কয়েক বছরের দিনলিপি আর সংশ্লিষ্ট একটি কবিতা নিয়ে এই বই : নির্বাসিতের জার্নাল। নতুন করে সাজিয়ে প্রকাশিত হল এই বইয়ের ই-ভাষ্য।

     40.00