Out Of Stock

 240.00

যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত প্রণীত
আসামের ইতিহাস

অধুনাবিস্মৃত যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৮৩-১৯৬৫) ছিলেন ঢাকা জগন্নাথ কলেজের বাংলার অধ্যাপক ও ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট বোর্ডের পরীক্ষক। মেধা, নিষ্ঠা ও নিরলস শ্রমের জন্য তিনি তাঁর সময়ে সুখ্যাত ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্পাদক, লেখক ও ইতিহাসবিদ। শতাধিক গ্রন্থ তাঁর হাত দিয়ে বেরিয়েছে। ‘আসামের ইতিহাস’ যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি। বইটি লেখা হয়েছিল নব্বই বছর আগে ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে। তখন ছিল অবিভক্ত অসম। মণিপুর, শ্রীহট্ট, জয়ন্তীয়া প্রভৃতি ছিল এর অন্তর্ভুক্ত। লেখক ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বার অসম ভ্রমণ করেছিলেন। এবং ‘আসামের নদী, পাহাড়, বন-জঙ্গলের সুন্দর শ্যামলশ্রী এবং বিস্তৃত প্রান্তরের তরঙ্গায়িত শোভা’ তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, ‘এইরূপ পর্য্যটনের ফলেই আমি আসামের ইতিহাস লিখিতে উদ্বুদ্ধ হই, এই ক্ষুদ্র গ্রন্থখানা তাহারি ফল।।’ তিনি প্রসঙ্গত উল্লেখ করেছেন যে,‘আসামের ইতিহাস সম্বন্ধে আমরা অল্প কথাই জানি।’ ঠিক। অসমের ইতিহাস বিষয়ক আর কোনো বই বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সেদিক থেকে এ-বইটির গুরুত্ব এখনও অম্লান। আমাদের মনে হয় অপরিচয়ের দূরত্ব কমিয়ে আনার পক্ষে এ-বইয়ের একটি ভূমিকা রয়েছে। অসম ও তার অধিবাসীদের এ বই থেকে একটু ভালো করে জানা যাবে।

বইপত্তর প্রতিলিপি সংস্করণ, ১৯৬ পৃষ্ঠা

Out of stock

Compare

Description

যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত প্রণীত
আসামের ইতিহাস

অধুনাবিস্মৃত যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৮৩-১৯৬৫) ছিলেন ঢাকা জগন্নাথ কলেজের বাংলার অধ্যাপক ও ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট বোর্ডের পরীক্ষক। মেধা, নিষ্ঠা ও নিরলস শ্রমের জন্য তিনি তাঁর সময়ে সুখ্যাত ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্পাদক, লেখক ও ইতিহাসবিদ। শতাধিক গ্রন্থ তাঁর হাত দিয়ে বেরিয়েছে। ‘আসামের ইতিহাস’ যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি। বইটি লেখা হয়েছিল নব্বই বছর আগে ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে। তখন ছিল অবিভক্ত অসম। মণিপুর, শ্রীহট্ট, জয়ন্তীয়া প্রভৃতি ছিল এর অন্তর্ভুক্ত। লেখক ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বার অসম ভ্রমণ করেছিলেন। এবং ‘আসামের নদী, পাহাড়, বন-জঙ্গলের সুন্দর শ্যামলশ্রী এবং বিস্তৃত প্রান্তরের তরঙ্গায়িত শোভা’ তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, ‘এইরূপ পর্য্যটনের ফলেই আমি আসামের ইতিহাস লিখিতে উদ্বুদ্ধ হই, এই ক্ষুদ্র গ্রন্থখানা তাহারি ফল।।’ তিনি প্রসঙ্গত উল্লেখ করেছেন যে,‘আসামের ইতিহাস সম্বন্ধে আমরা অল্প কথাই জানি।’ ঠিক। অসমের ইতিহাস বিষয়ক আর কোনো বই বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সেদিক থেকে এ-বইটির গুরুত্ব এখনও অম্লান। আমাদের মনে হয় অপরিচয়ের দূরত্ব কমিয়ে আনার পক্ষে এ-বইয়ের একটি ভূমিকা রয়েছে। অসম ও তার অধিবাসীদের এ বই থেকে একটু ভালো করে জানা যাবে।

বইপত্তর প্রতিলিপি সংস্করণ, ১৯৬ পৃষ্ঠা

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Assam-er Itihas”