160.00

In Stock

সুহৃদকুমার ভৌমিক
বাঙলা ভাষার গঠন

ভাষার দুটি ভাগ, গদ্য ও পদ্য— এবং এ দুটিই বিশেষ শক্তিশালী একটি আদিবাসী ভাষার আদলে তৈরি হয়েছে। আচার্য সুনীতিকুমার বহু পূর্বেই বলেছিলেন, ‘‘বাংলাভাষাটা যে অনার্য্য ভাষার ছাঁচে ঢালা আর্য্য ভাষা, সেটাও ক্রমে ক্রমে লোকে মানবে— আর্য্যামি যত দিন বাধা দিতে থাকবে, তত দিন বাংলার ঠিক স্বরূপটি আমাদের বের করা কঠিন হবে”। কিন্তু এই স্বরূপটি জানার আগে যাঁরা প্রাথমিক স্তরে বাঙলা ভাষা গঠনে যুক্ত হয়েছিলেন অর্থাৎ বাঙালির পূর্বপুরুষ কারা ছিলেন, তা জানতে হবে। কারণ বাঙলার প্রকৃত জনগোষ্ঠীকে না জেনে তাদের তৈরি ভাষাকে জানার কোন অর্থই হয় না। আমাদের পূর্বপুরুষ কারা ছিলেন আর কাদের রক্তই বা আমাদের ধমনীতে প্রবাহিত। মাত্র এক হাজার বছর আগে চর্যাপদের পূর্বে বাঙলা ভাষাই ছিল না। তার আগে কী ভাষায় বা এখানকার মানুষ কথা বলত?

এই বইয়ে সংকলিত বিবিধ প্রবন্ধে বহুদর্শী লেখক নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব এবং ভাষাতত্ত্বের সাম্প্রতিক গবেষণার আলোয় বাঙলা ভাষার গঠন নিয়ে একেবারে অনন্য এক ভাবনার সূত্রপাত ঘটিয়েছেন। বাঙলা ভাষা নিয়ে ভাবিত পাঠকের এ বই অবশ্যপাঠ্য।

 

 

Compare

Description

সুহৃদকুমার ভৌমিক
বাঙলা ভাষার গঠন

ভাষার দুটি ভাগ, গদ্য ও পদ্য— এবং এ দুটিই বিশেষ শক্তিশালী একটি আদিবাসী ভাষার আদলে তৈরি হয়েছে। আচার্য সুনীতিকুমার বহু পূর্বেই বলেছিলেন, ‘‘বাংলাভাষাটা যে অনার্য্য ভাষার ছাঁচে ঢালা আর্য্য ভাষা, সেটাও ক্রমে ক্রমে লোকে মানবে— আর্য্যামি যত দিন বাধা দিতে থাকবে, তত দিন বাংলার ঠিক স্বরূপটি আমাদের বের করা কঠিন হবে”। কিন্তু এই স্বরূপটি জানার আগে যাঁরা প্রাথমিক স্তরে বাঙলা ভাষা গঠনে যুক্ত হয়েছিলেন অর্থাৎ বাঙালির পূর্বপুরুষ কারা ছিলেন, তা জানতে হবে। কারণ বাঙলার প্রকৃত জনগোষ্ঠীকে না জেনে তাদের তৈরি ভাষাকে জানার কোন অর্থই হয় না। আমাদের পূর্বপুরুষ কারা ছিলেন আর কাদের রক্তই বা আমাদের ধমনীতে প্রবাহিত। মাত্র এক হাজার বছর আগে চর্যাপদের পূর্বে বাঙলা ভাষাই ছিল না। তার আগে কী ভাষায় বা এখানকার মানুষ কথা বলত?

এই বইয়ে সংকলিত বিবিধ প্রবন্ধে বহুদর্শী লেখক নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব এবং ভাষাতত্ত্বের সাম্প্রতিক গবেষণার আলোয় বাঙলা ভাষার গঠন নিয়ে একেবারে অনন্য এক ভাবনার সূত্রপাত ঘটিয়েছেন। বাঙলা ভাষা নিয়ে ভাবিত পাঠকের এ বই অবশ্যপাঠ্য।

নতুন মুদ্রণ, ১০২ পৃষ্ঠা

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Bangla Bhashar Gothon”