260.00

In Stock

অমিয়া সেন
পুনর্বাসন ও অন্যান্য কাহিনি

আনুমানিক ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার বরিশালে অমিয়া সেনের জন্ম। তাঁর প্রথম উপন্যাস ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল দেশ পত্রিকায়। এ ছাড়া তাঁর নানা গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও প্রবন্ধ পূর্ব্বাশা, প্রবর্ত্তক, অঙ্গনা, জয়শ্রী, কম্পাস, বঙ্গলক্ষ্মী, মাসিক দিগন্ত, লোকসেবক, মাসিক বসুমতী ইত্যাদি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

একজন ভুক্তভোগী, সামাজিক পর্যবেক্ষক ও অনানুষ্ঠানিক ইতিহাসকার হিসেবে দেশভাগের ঘটনা রয়েছে তাঁর চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই সংকলনের তেরোটি গল্পের মধ্যে সাতটিই কোন-না-কোন ভাবে ওই দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এর সমান্তরালে, দিল্লিতে তাঁর জীবনের কথা, শুধুমাত্র একজন প্রবাসী বাঙালি হিসেবে নয়, সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে একজন দিল্লিওয়ালা হিসেবেও, তাঁর লেখায় রয়েছে। এই সংকলনের বেশ কয়েকটি গল্প ভারতের রাজধানীকে প্রবাসী বাঙালির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ করে দেবে।

১৯৯০ সালে লেখিকার মৃত্যুর পর তাঁর অগ্রন্থিত গল্পের এই সংকলন পাঠককে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিশালী লেখকের কথা মনে করিয়ে দেবে।

Compare

Description

অমিয়া সেন
পুনর্বাসন ও অন্যান্য কাহিনি

আনুমানিক ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার বরিশালে অমিয়া সেনের জন্ম। তাঁর প্রথম উপন্যাস ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল দেশ পত্রিকায়। এ ছাড়া তাঁর নানা গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও প্রবন্ধ পূর্ব্বাশা, প্রবর্ত্তক, অঙ্গনা, জয়শ্রী, কম্পাস, বঙ্গলক্ষ্মী, মাসিক দিগন্ত, লোকসেবক, মাসিক বসুমতী ইত্যাদি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

একজন ভুক্তভোগী, সামাজিক পর্যবেক্ষক ও অনানুষ্ঠানিক ইতিহাসকার হিসেবে দেশভাগের ঘটনা রয়েছে তাঁর চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই সংকলনের তেরোটি গল্পের মধ্যে সাতটিই কোন-না-কোন ভাবে ওই দুর্ভাগ্যজনক ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এর সমান্তরালে, দিল্লিতে তাঁর জীবনের কথা, শুধুমাত্র একজন প্রবাসী বাঙালি হিসেবে নয়, সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে একজন দিল্লিওয়ালা হিসেবেও, তাঁর লেখায় রয়েছে। এই সংকলনের বেশ কয়েকটি গল্প ভারতের রাজধানীকে প্রবাসী বাঙালির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ করে দেবে।

১৯৯০ সালে লেখিকার মৃত্যুর পর তাঁর অগ্রন্থিত গল্পের এই সংকলন পাঠককে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিশালী লেখকের কথা মনে করিয়ে দেবে।

প্রথম সংস্করণ, ১৪৮ পৃষ্ঠা

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Punorbason O Anyanyo Kahini”