Brands

Sort By:
View:
  • সুজান সনটাগ
    রিগার্ডিং দ্য পেইন অব আদার্স
    যে-ব্যথা আনজনের

    যুদ্ধের ছবি আসলে কী কাজ করে? কোন ছবিগুলো দেখানো হচ্ছে বারবার? কারা দেখাচ্ছে? কাদের নিষ্ঠুরতা দেখানোই হচ্ছে না? কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে? যুদ্ধের নিবারণ কি আদৌ সম্ভব? অন্যের দুর্দশার ছবি দেখতে-দেখতে কি অসাড় হয়ে যাই আমরা? অভ্যস্ত হয়ে যাই? কারা এই ‘অন্য’রা? ‘আমরা’ই বা কারা? যুদ্ধে যাঁরা গিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, মারা গিয়েছেন, তাঁদের কী-ই বা বলার থাকতে পারে আমাদের? প্রশ্ন তুলছেন সুজান সনটাগ।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ১৬৮ পৃষ্ঠা

     285.00
  • আবীর আবদুল্লাহ
    আয়না কথা

    বাংলাদেশের আইকনিক চিত্র-সাংবাদিকদের যে লম্বা তালিকা, তার গ্রাফের ওপরের দিকে আবীর আবদুল্লাহর বাস। কাজের জায়গায় সোজা-সাপটা, বাহুল্যবর্জিত, ড্রামা-হীন একজন আলোকচিত্রী। নিজের ফটোগ্রাফি নিয়ে পরিষ্কার তাঁর লজিক এবং ব্যাখ্যা : “আমি এইভাবে দেখেছি.. বিশেষ কিছু দেখতে চাইনি…। যা আছে তাই…।”

    তেমন তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সোজা-সাপটা কথার আলোকচিত্রী। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, দৃক, পাঠশালা, ই.পি.এ, ওয়ার্ল্ড প্রেস, আর্ট বনাম ফটোগ্রাফি– এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকের আলাপচারিতা– আয়না কথা।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২১৯ পৃষ্ঠা

     385.00
  • সুজান সনটাগ
    অন ফটোগ্রাফি
    ভাষান্তর: মাহমুদুল হোসেন

    সুজান সনটাগ এই গ্রন্থে তার সমকালের ইমেজ-সংস্কৃতি, ইমেজ-রাজনীতি এবং ইমেজ-মনস্তত্ত্বকে বুঝতে নানা দিক থেকে এর ওপর আলো ফেলে দেখতে চেয়েছেন। বিশ শতকে, যখন দেখা বা দৃষ্টি বিষয়ক প্যারাডাইম পরিবর্তনের কাল; মানুষের দৃষ্টিগ্রাহ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বোধ ক্রমে এক পরিণতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ক্রমাগত এই দৃষ্টিগ্রাহ্যতা দখল নিচ্ছে ব্যক্তি, সমাজ, বাস্তবতা, কামনা, বিবেক ও ভোগের, তখন ‘অন ফটোগ্রাফি’ চিন্তাশীল মানুষকে দারুণ ভাবে উজ্জীবিত করতে পারে। ‘অন ফটোগ্রাফি’-তে সনটাগ দেখিয়েছেন যে ফটোগ্রাফি নিজেই ইমেজের এমন এক প্রতিবেশ সৃষ্টি করে যে, পৃথিবীর খণ্ডাংশগুলি তাদের প্রাসঙ্গিকতা এবং ইতিহাস থেকে স্থানচ্যুত হয়ে এক পরাবাস্তব দৃষ্টিগ্রাহ্যতায় পরিণত হয়।

     390.00