Brands

Sort By:
View:
  • ভিনসেন্ট ভান গখ – পল গগ্যাঁ
    দুই শিল্পীর চিঠি : পারস্পরিক পারম্পরিক 

    পল গগ্যাঁ ও ভিনসেন্ট ভান গখ-এর প্রথম দেখা হয় প্যারিসে, ১৮৮৭ সালের শেষদিকে। প্রাথমিক পরিচয়ের পরের পর্যায় শুরু হয় পরস্পরের ছবি বিনিময় দিয়ে, আর সেই সূত্রেই শুরু হয় চিঠির আদানপ্রদান। ঘটনাবহুল তাঁদের বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব মাত্রই দু-আড়াই বছর, কিন্তু উভয়ের কাছেই এই সময়পর্ব গুরুত্বপূর্ণ। এর শেষ হয় গখ-এর স্বেচ্ছামৃত্যুতে, আর তার কয়েক মাস পরেই গগ্যাঁ তাঁর জীবনের ও শিল্পদর্শনের শেষ গন্তব্য তাহিতি-র উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

    এক অর্থে এই চিঠিগুলি পাশ্চাত্যের শিল্প-ইতিহাসের এক বিশেষ পর্বের প্রাথমিক দলিলও। দুর্ভাগ্যবশত, দুনিয়া জুড়েই মানুষ শিল্প নিয়ে নানা গালগল্পে অভ্যস্ত। এই চিঠিগুলি হতে পারে তার পালটা এবং প্রকৃত বয়ান। শিল্পীদের নিজেদের বয়ানেই তাঁদের দৈনন্দিন জীবন, কাজ ও ভাবনার কথা জানা সব সময়েই ভালো। বিস্ময়কর যে শরীর-স্বাস্থ্যের সাংঘাতিক অবস্থা এবং চিরদারিদ্র্যের মধ্যেও এই দু-জন শুধু ছবিই আঁকেননি, সেই সঙ্গে তাঁদের প্রতিদিনের জীবন ও ভাবনাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশদে বর্ণনা করে গেছেন। একদিক থেকে এই সব চিঠি হল তাঁদের শিল্পভাবনার তাত্ত্বিক দলিল, তাঁদের শিল্প-ইস্তাহারও।

    উপস্থাপনার দিক থেকে এ বই একেবারেই পরীক্ষামূলক, গোটা বইটি মুখবন্ধ খামের মতো, সচিত্র গোটা বইটি তার মধ্যে বুনে দেওয়া, খাম খুলে চিঠি পড়ার মতোই এ বই পড়তে হবে। নিঃসন্দেহে, কোন বই এর আগে ঠিক এ ভাবে এই ভূখণ্ডে প্রকাশিত হয়নি।

    নোকতা (বাংলাদেশ)-এর বই। প্রথম সংস্করণ

     

     260.00
  • দীপেন্দু চক্রবর্তী
    সিনেমা নিয়ে কথা 

    সিনেমা নিয়ে নানান পত্রিকায় কয়েক দশক ধরে লিখছেন দীপেন্দু চক্রবর্তী, বলা যায় এই প্রথম তা একত্র হল। ফলে পাঠক যেমন সিনেমা নিয়ে লেখকের ভাবনার ব্যাপ্তি ও গভীরতার সন্ধান পাবেন এখানে, তেমনই যেহেতু দীপেন্দু লিখেছেন মূলত বাংলা সিনেমা নিয়ে, তাই গত কয়েক দশকের বাংলা সিনেমার একটা ক্রম-ইতিহাসও পেয়ে যাবেন এই সূত্রে। কেউ-কেউ হয়তো লেখকের মতে আস্থা রাখবেন, আবার কেউ-কেউ, আশা করা যাক যে হয়তো প্ররোচিত হবেন তুমুল তর্কে। বলা থাক, পাঠকের সঙ্গে এহেন মত-বিনিময়ে লেখকের অরুচি নেই। সহমত-ই হোন বা প্ররোচিত হোন তর্কে, একটা কথা ঠিক যে এ সমস্ত লেখা পড়তে শুরু করলে শেষ না করে তৃপ্তি নেই।

    প্রথম সংস্করণ, ১৬৫ পৃষ্ঠা

     210.00
  • স্বর্ণেন্দু সেনগুপ্ত সম্পাদিত
    গুয়ান্তানামো : স্মৃতিকথা সাক্ষাৎকার কবিতা ছবি

    যে-কারাগারে বসে লেখা এই বইয়ে সংকলিত কবিতাগুলি, আঁকা এ বইয়ে ছাপা ছবিগুলি, যে-জেলখানাকে নিয়ে এই লেখা এই বইয়ের অন্তর্গত স্মৃতিকথা ও ডায়েরির সমূহ বয়ান, যাকে কেন্দ্র করে নেওয়া এ বইয়ের দুটি সাক্ষাৎকার— তার নাম গুয়ান্তানামো। কুখ্যাত এই সামরিক কারাগার কিউবা বা কুবা-র একটি দ্বীপ জোর করে দখলে রেখে বানিয়েছে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র আমেরিকা।
    যাঁরা খবরের কাগজ পড়েন, তাঁরা হয়তো পড়েছেন, শুনেছেন এই কারাগারের কথা। গুয়ান্তানামো কারাগারের কথা খবরের কাগজে শিরোনামে আসে তার ভয়ংকর, অত্যাচারী ব্যবস্থার কারণে। এই বই নির্দোষ নিরীহদের বিরুদ্ধে সেই অত্যাচার ও সন্ত্রাসের কথা নানা ভাবে বলে কবিতায়, গদ্যে, ছবিতে।

    ১ম সংস্করণ, ১২০ পৃষ্ঠা

     160.00
  • শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায়
    উদরপুরাণ এবং অন্যান্য বৈঠকি গল্প  

    পটলডাঙায় চাটুজ্জেদের রোয়াক থেকে বাহাত্তর নম্বর বনমালী নস্কর লেন হয়ে তা-বড়ো বাবু ও বিবির বৈঠকখানায়-মজলিশে-আসরে-বাসরে যে-অফুরান আড্ডা-সংস্কৃতি বজায় রেখেছে বাঙালি, তার কোন ইতিহাস লেখা হয়নি আজও। আড্ডা-সাহিত্য বলে আমাদের তেমন কিছু নেই। যা আছে, তা হল বহু প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা অজস্র গালগপ্পো। গালগপ্পোর সঙ্গে আড্ডার সম্পর্ক দু-ভাবে : এক ধরনের গালগপ্পো আড্ডাজাত, আড্ডা ছাড়া আর কোন কারখানা থেকেই তা উৎপন্ন করা যাবে না; আর-এক ধরনের গালগপ্পো আড্ডা-উপযোগী, অর্থাৎ যা জুতসই ভাবে পরিবেশিত হলে যে-কোন আড্ডাই জমে উঠতে বাধ্য। এরকমই কিছু গালগপ্পো করা হয়েছে এখানে, যাকে আমরা ‘বৈঠকি গল্প’ বলা সংগত মনে করেছি। বাঙালির আড্ডার ‘হেভি ইন্ডাস্ট্রি’ এককালে যে-সব রথী-মহারথীর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল, তাঁদের বেশির ভাগই নেই আজ। কিন্তু যাঁরা নিদেনপক্ষে কুটিরশিল্প চালাতে উৎসাহী, তাঁদের এসব রসদ কিছু পরিমাণে কাজে লাগবে বলে আশা করা যায়।

    প্রথম সংস্করণ, ২১৬ পৃষ্ঠা

     280.00
  • অসীম রেজ
    চিত্রকর ফ্রিদা কাহলো : এক অনন্য নারী 

    স্বদেশ-ভাবনা এবং স্বাজাত্যাভিমান ছিল মেক্সিকোর শিল্পী ফ্রিদা কাহলো-র জীবন-আদর্শের মূল কথা। তাঁর শিল্পভাবনার কেন্দ্রে ছিল স্বাধীন ব্যক্তিসত্তার প্রকাশ। তিনি সমাজ ও ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা যেমন স্বীকার করেছিলেন, তেমনই নারীসত্তার উন্মোচনে পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জনে ব্যক্তিগত জীবন বাজি রেখেছিলেন। তাঁর শিল্পকলায় জীবন-সংগ্রাম ও কঠোর বাস্তবতা, ফ্যান্টাসি ও কল্পনা এবং আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের এক আশ্চর্য মেলবন্ধন ঘটেছিল। একদিকে ইউরোপীয় আধুনিকতা, অন্য দিকে মেক্সিকোর সনাতন জনপ্রিয় লোকশিল্পের ধারা তাঁর শিল্পকর্মের প্রাণবিন্দু হয়ে উঠেছিল।

    ফ্রিদা-র জীবন ও শিল্পকর্মের সামগ্রিক পরিচয় নিয়ে এ বাংলার প্রথম বই।

    ৭২ পৃষ্ঠা + ৮টি রঙিন আর্টপ্লেট

     160.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    প্রামাণ্যচিত্রকথা

    প্রামাণ্যচিত্রকথা, চলচ্চিত্র-চিন্তার শুদ্ধতায় প্রত্যাবর্তনের চেষ্টাই আসলে। কেননা, প্রামাণ্যকরণ এক ধ্রুব, অনিরামেয় উপসর্গ চলচ্চিত্রের। বাস্তব, সত্য অথবা কল্পনার প্রামাণ্যকরণ। এই উপলব্ধিজাত এই গ্রন্থ, তার আয়োজন। প্রামাণ্যচিত্রের সত্য-যাত্রা, তার ইতিহাসের অ্যাডভেঞ্চার প্রযুক্তি বেয়ে তার সম্ভাবনার অসীম স্থিতিস্থাপকতা– এ ভাবে প্রামাণ্যচিত্রকথার শুরু। বিকল্প প্রকল্পে অথবা জাতীয় চলচ্চিত্রের ল্যান্ডস্কেপে প্রামাণ্যচিত্রের নির্ধারক ভূমিকা আর তারই স্বভাব-চলনে একালের বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র। এই সব তার কথা– প্রামাণ্যচিত্রকথা।

    প্রথম সংস্করণ, ২০৮ পৃষ্ঠা

     280.00
  • মীরা মুখোপাধ্যায়
    বিশ্বকর্মার সন্ধানে 

    শিল্পকর্ম আর কারুকর্মের মধ্যে তৈরি-করা কোন রকম বিভেদ মানতেন না তিনি, এই বইয়ের লেখক, এ দেশের অন্যতম প্রধান ভাস্কর মীরা মুখোপাধ্যায়। সে কারণেই এক দীর্ঘ সময়কাল জুড়ে তিনি গভীর জিজ্ঞাসা নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন বিশ্বকর্মার সন্ধানে। বিশ্বকর্মা, যিনি বিশ্বের সকল কর্মের দেবতা। ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, ‘আমার বিষয়বস্তুকে কোন ইতিহাসে পাইনি, যা পেয়েছি তা অস্পষ্ট এবং অলীক হিসেবে পুরাণ, মহাভারতে বিরাজ করেছে। যখন মুখে-মুখে ঘুরে-ঘুরে বিশ্বকর্মাদের কাছ থেকে কিছু-কিছু জেনেছি, তখন বুঝতে পেরেছি অতি গভীর তার মূল, প্রায় আমাদের জানিত সভ্যতার শুরু থেকেই এর সূচনা।’ এই বইয়ে তাই বাস্তবের সঙ্গে কল্পকাহিনী, ইতিহাসের সঙ্গে পুরাণ, সমকালের সঙ্গে লোককথা এমন ভাবে মিশে আছে যে ভ্রম হয় কোনটা প্রকৃত বাস্তব, আর কোনটাই বা আসল ইতিহাস। প্রকৃতপক্ষে মীরা মুখোপাধ্যায়ের জীবনব্যাপী জিজ্ঞাসা ও গবেষণার ফসল এ বই।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ১২৮ পৃষ্ঠা

     250.00
  • যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত প্রণীত
    আসামের ইতিহাস

    অধুনাবিস্মৃত যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৮৩-১৯৬৫) ছিলেন ঢাকা জগন্নাথ কলেজের বাংলার অধ্যাপক ও ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট বোর্ডের পরীক্ষক। মেধা, নিষ্ঠা ও নিরলস শ্রমের জন্য তিনি তাঁর সময়ে সুখ্যাত ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্পাদক, লেখক ও ইতিহাসবিদ। শতাধিক গ্রন্থ তাঁর হাত দিয়ে বেরিয়েছে। ‘আসামের ইতিহাস’ যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি। বইটি লেখা হয়েছিল নব্বই বছর আগে ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে। তখন ছিল অবিভক্ত অসম। মণিপুর, শ্রীহট্ট, জয়ন্তীয়া প্রভৃতি ছিল এর অন্তর্ভুক্ত। লেখক ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বার অসম ভ্রমণ করেছিলেন। এবং ‘আসামের নদী, পাহাড়, বন-জঙ্গলের সুন্দর শ্যামলশ্রী এবং বিস্তৃত প্রান্তরের তরঙ্গায়িত শোভা’ তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, ‘এইরূপ পর্য্যটনের ফলেই আমি আসামের ইতিহাস লিখিতে উদ্বুদ্ধ হই, এই ক্ষুদ্র গ্রন্থখানা তাহারি ফল।।’ তিনি প্রসঙ্গত উল্লেখ করেছেন যে,‘আসামের ইতিহাস সম্বন্ধে আমরা অল্প কথাই জানি।’ ঠিক। অসমের ইতিহাস বিষয়ক আর কোনো বই বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সেদিক থেকে এ-বইটির গুরুত্ব এখনও অম্লান। আমাদের মনে হয় অপরিচয়ের দূরত্ব কমিয়ে আনার পক্ষে এ-বইয়ের একটি ভূমিকা রয়েছে। অসম ও তার অধিবাসীদের এ বই থেকে একটু ভালো করে জানা যাবে।

    বইপত্তর প্রতিলিপি সংস্করণ, ১৯৬ পৃষ্ঠা

     240.00
  • ফালগুনী রায়
    আমার রাইফেল আমার বাইবেল

    হাংরি প্রজন্মের কবি-লেখকদের মধ্যে ফালগুনী লেখার গুণে যেমন, তেমনই জীবনযাপনের কারণেও কিংবদন্তি। মাত্র ছত্রিশ বছর বেঁচেছিলেন ফালগুনী, তার মধ্যেই এমন অমোঘ সব লেখা তিনি লিখেছিলেন, যার আবেদন বছর-চল্লিশেক পরেও এতটুকু কমেনি। শুধু কবিতা নয়, নানা সময়ে গদ্য, নাটক, চিত্রনাট্য ইত্যাদিও তিনি লিখেছিলেন, এবং তা একই রকম জোরালো।

    ফালগুনীর প্রায় যাবতীয় লেখাপত্র নিয়ে এই সংকলন। চেষ্টা করা হয়েছে তাঁর সমস্ত লেখাই সাল-তারিখ অনুযায়ী সাজাতে, এবং প্রত্যেক রচনার শেষে তার উল্লেখ আছে।

    বাংলা সাহিত্যের পাঠকের অবশ্যপাঠ্য এই বই।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ১১২ পৃষ্ঠা

     160.00
  • সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ফ্যাসিজম

    বাংলা ভাষায় লিখিত, মুদ্রিত এবং প্রকাশিত প্রথম ফ্যাসিবিরোধী বই। ১৯৩৪-এ প্রকাশিত হলেও বস্তুত এর প্রস্তুতি চলেছিল ইতালিতে লেখকের কারাবাসের সময় থেকে। একেবারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে লিখিত ফ্যাসিবাদী তত্ত্ব আর প্রয়োগ নিয়ে গোড়া-ঘেঁষা অনুসন্ধানের এমন উজ্জল দৃষ্টান্ত বিরল।

     150.00
  • আমার কথা

    আত্মজীবনকথার সংকলন

    ‘মাসিক বসুমতী’র পাতায় একসময়ে ‘আমার কথা’ শিরোনামে এদেশের শীর্ষস্থানীয় সব সঙ্গীত-ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনকথা প্রকাশিত হত। কখনও তা সাক্ষাৎকারের ঢঙে, কখনও বা বর্ণনামূলক গদ্যে। স্বাক্ষরিত রচনা নয় কোনটাই। ফলে বোঝা যায়, নানা সময়ে এসব লেখা নানা জনে লিখেছেন।

    প্রায় বছর-ষাটেক আগে প্রকাশিত এসব লেখা সঙ্গীত বিষয়ে আগ্রহী পাঠকের এখনও হয়তো কোন উপকারে লাগতে পারে। সে-কথা ভেবেই নির্বাচিত কয়েকটি লেখা নিয়ে এই সংকলন। প্রতিটি লেখার শেষে প্রকাশকাল দেওয়া আছে, আর লেখাগুলি সাজানো হয়েছে গুণী এই সব সঙ্গীতজ্ঞের জন্মসাল অনুযায়ী।

    যাঁদের কথা আছে :
    ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ।। গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ।। উদয়শঙ্কর ।। রাইচাঁদ বড়াল ।। তিমিরবরণ ভট্টাচার্য ।। কৃষ্ণচন্দ্র দে ।। পঙ্কজকুমার মল্লিক ।। ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় ।। হীরেন্দ্রকুমার গঙ্গোপাধ্যায় ।। ওস্তাদ মুস্তাক আলি খাঁ ।। রাধারাণী দেবী ।। দক্ষিণামোহন ঠাকুর ।। রাধিকামোহন মৈত্র

     100.00
  • মানিক দাস

    আশপাশের মানুষজন

    অসমের প্রেক্ষাপটে বস্তুত এ এক প্রেমের আখ্যান। অসংখ্য দ্বন্দ্বতন্তুর অনিঃশেষ কাটাকুটিতে নির্মিত এই আখ্যান কার্যত অসমিয়া-বাঙালির সম্পর্ক ও সম্পর্কহীনতার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের জলছবি। মানুষজনের দ্বন্দ্ব, সামাজিক অস্থিরতা, সংশয়, উদভ্রান্তি ও স্বার্থপরতা এই যাপনকথায় প্রকট।

    লেখক অসমবাসী। অসম ও বাংলায় সুপরিচিত। অসমিয়া ও বাংলা, দুই ভাষাতেই তিনি লেখেন। ফলে তাঁর বয়ানে এ আখ্যানের গুরুত্ব অন্যরকম হতে বাধ্য। এ বয়ানের পরতে-পরতে ক্রমোন্মোচিত অভিজ্ঞতার নির্যাসে রয়েছে সমাজ-বাস্তবতার উজ্জ্বল উপস্থিতি। একটি প্রণয়োপাখ্যানকে কেন্দ্র করে এ হল আশপাশের মানুষজনের চলমান জীবনালেখ্য।

    অসমে সাম্প্রতিক সমস্যার প্রেক্ষিত বুঝতে বাংলা সাহিত্যে এই নতুনতর সংযোজন অনেকটাই সাহায্য করবে।

     495.00
  • আরণ্যক টিটো
    ফুলেরা পোশাক পরে না

    ‘লেখা’ শব্দটি ক্রিয়া। ক্রিয়া ব্যতীত কোন মানুষ নেই, এমনকী প্রকৃতিজগতে অন্যান্য প্রাণীও। এই ব্রহ্মাণ্ড ক্রিয়াশীল… সচলতা ছাড়া জীবন চলে না! আর এই লেখালিখি, ক্রিয়া, বিষয়টার সাথে, মনের মাজারে নড়নচড়নমনা বাউলটার (নন্দনতাত্ত্বিক) মরমযাতনা আছে! যার মর্মে কানাকানি জানাজানি করে জীবনপ্রকৃতি, তার কাঙ্ক্ষা— প্রাপ্তি ও হতাশার দ্বান্দ্বিক মিথষ্ক্রিয়ায় যে রসটুকু বের হয়ে আসে তারই সার এই লেখা! এই লেখালেখি ‘আড়াই অক্ষরে’ বলা যেতে পারে নিজেকে/প্রকৃতিকে বিনির্মাণ কিংবা প্রকাশ…

    আর এই প্রকাশতত্ত্বের পথে (দীর্ঘ ২৪ বৎসরের বাক্যচর্চার সারমর্ম) ‘ফুলেরা পোশাক পরে না’ প্রথম পদক্ষেপ… যেখানে ১৭৮টি কবিতায় (পুরুষবাদিতা কিংবা নারীবাদিতার বিপরীতে) ধরতে চাওয়া হয়েছে এমন এক (নন্দনতাত্ত্বিক) অভিসন্দর্শন— মর্মটুকু এই: শিল্প হলো অর্ধনারীশ্বর যাহার অর্ধেক শিব, অর্ধেক পার্বতী…

    এই বইদেশে ভুমিকা না শুনে ভিতরে ঢোকেন… এটুকু কেবলি ইঙ্গিত, এর পাতায় পাতায় ভাঁজে ভাঁজে লুক্কায়িত মর্মকে জানতে পাঠ করুন, নক্‌শিকথায় বোনা সুতোর কাহন… উদ্‌যাপনের কথামালা… বাংলাসাহিত্যের অর্ধনারীশ্বরকাণ্ড… বিশ্বদৃষ্টির পরম্পরা… ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যতাবাদী এককের বিপরীতে সমগ্রতার যুক্তাঞ্চল!… যার রচয়িতা মারা গেছে সৃজন বর্ষায়, খুঁজেও পাবেন না তাহাকে জলের বাসরে…

     295.00
  • সিন্থিয়া ফ্রিল্যান্ড

    শিল্পতত্ত্বের গোড়ার পাঠ 

    শিল্প কী, এর মানে কী এবং কেন আমরা একে মূল্য দিই— এ বই এই সব নিয়ে লেখা। বিভিন্ন শিল্পতত্ত্ব এখানে খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। যেমন প্রথা তত্ত্ব, আঙ্গিক তত্ত্ব, অনুকরণ তত্ত্ব, প্রকাশ তত্ত্ব, অবধারণ তত্ত্ব, উত্তর-আধুনিক তত্ত্ব ইত্যাদি— কিন্তু ক্রমানুসারে নয়, বরং আলোচনার প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী।

    কিন্তু ‘শিল্প’ কথাটা অনেক দেশে বা যুগে প্রযোজ্যই ছিল না। শিল্পীদের চর্চা এবং ভূমিকা বিস্ময়কর ভাবে যৌগিক ও অধরা। প্রাচীন এবং আধুনিক উপজাতির মানুষেরা শিল্পকে আর্টিফ্যাক্ট থেকে আলাদা করে দেখে না। মধ্যযুগীয় ইউরোপিয়ান খ্রিস্টানেরা ঠিক ‘শিল্প’ তৈরি করেনি, বরং ঈশ্বরের সৌন্দর্য অনুকরণ ও তা উদ্‌যাপনের চেষ্টা করেছিল। ধ্রুপদী জাপানি নন্দনতত্ত্বে উদ্যান, তলোয়ার, ক্যালিগ্রাফিক স্ক্রল অথবা টি সেরেমনির মতো বিষয়ও শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যা আধুনিক পশ্চিমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।

    প্লেটো-পরবর্তী অনেক দার্শনিকই শিল্প ও নন্দনতত্ত্ব বিষয়ক তত্ত্ব হাজির করেছেন। এখানে তাঁদের কয়েকজনকে বিশদ ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যযুগীয় মহীরুহ টমাস আকুইনাস, এনলাইটেনমেন্টের মুখ্য ব্যক্তিত্ব ডেভিড হিউম ও ইমানুয়েল কান্ট, কুখ্যাত প্রথাবিরোধী ফ্রিডরিখ নিটশে এবং বিশ শতকের জন ডিউই, আর্থার ডান্টো, মিশেল ফুকো এবং জাঁ বদ্রিয়ার। সমাজবিজ্ঞান থেকে শুরু করে শিল্প-ইতিহাস ও সমালোচনা, নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, শিক্ষা এবং অন্যান্য শাখার তাত্ত্বিক, যারা শিল্প নিয়ে গবেষণা করেছেন, তাঁদের কথাও এখানে বলা হয়েছে।

    বাংলা ভাষায় এ বইয়ের অনেক প্রসঙ্গ কখনও উত্থাপিতই হয়নি।

    নোকতা (বাংলাদেশ)-এর বই

     260.00
  • শুভেন্দু দাশগুপ্ত গ্রন্থিত
    গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কার্টুনে হিন্দুত্ববাদ

    হিন্দুত্ববাদের সামাজিক কাঠামোয় নানান ধর্মীয় অনুশাসন, নানা বিধান, আচার-আচরণ, নিষেধের বেড়াজাল। হিন্দত্ববাদের রাজনৈতিক কাঠামোয় দেশপ্রেম, যা আসলে প্রশ্নহীন আনুগত্যের রকমফের। আমাদের দেশে এখন সেই হিন্দুত্ববাদীদের দাপট। তারাই এখন কেন্দ্রীয় শাসনে, ক্ষমতায়। সেই সূত্রেই আসছে নানান ফতোয়া, আনুগত্য প্রকাশের চাপ। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদও হচ্ছে। নানা রূপে, নানা ধরনে। একটা ধরন হল কার্টুন। আর সেখানেই পাওয়া গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তাঁর আঁকা কার্টুনের বিষয়ে আর এখনকার বিষয়ে দেখা যাচ্ছে আশ্চর্য মিল। একশো বছর আগেও যা সত্যি ছিল, দেখা যাচ্ছে এখনও তার কোন বদল ঘটেনি। দু-ভাগে সাজানো এই বইয়ে সংকলিত কার্টুনে পাঠকের তা খুঁজে নিতে অসুবিধে হবে না কোন।

    নতুন মুদ্রণে ৮টি কালার প্লেট যুক্ত হল। বইপত্তর-এর বই।

     100.00
  • জাঁ-পল সার্ত্র
    লেখকের অস্তি নাস্তি অবস্থিতি

    জাঁ-পল সার্ত্র-এর (১৯০৫-১৯৮০) ষাট এবং সত্তর বছরে নেওয়া দুটি সাক্ষাৎকার নিয়ে এই বই।

    প্রথম সাক্ষাৎকারটি যখন দিচ্ছেন, তার কিছু পরেই সাহিত্যে নোবেল নিতে অস্বীকার করছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি শেষ হচ্ছে এই প্রত্যাখ্যান নিয়ে তাঁর ক্ষুরধার বক্তব্য দিয়ে, ‘কোন আকাদেমি বা কোন পুরস্কারের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি না।… আমার বই যদি লোকে পড়ে, তবে সে-ই হতে পারে আমার সেরা সম্মান।’

    দশ বছর পরে তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন, চোখে আর দেখতে পান না মোটেই, ভাবছেন কী ভাবে তাঁর কাজ চালিয়ে নিয়ে যাবেন, কিন্তু একই সঙ্গে জানাচ্ছেন, ‘আমার মন দশ বছর আগের মতোই এখনও সমান ধারালো— ধার বাড়েনি হয়তো, কিন্তু কমেও যায়নি।’

    বিশ শতকের অদম্য এই মেধাজীবীর বহু বিষয়ে ভাবনার প্রাসঙ্গিকতাকে খানিক স্পর্শ করা যাবে এই বইয়ে।
    সংকলন ও ভাষান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য

    72 pages, 1st boipattor edition

     90.00