Brands

Sort By:
View:
  • মধুপ দে
    মাটির মানুষ বিদ্যাসাগর

    এক স্পর্ধিত ব্যতিক্রমী চরিত্র ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। পথের ধুলো থেকে গগনচুম্বী পাহাড়-চূড়া পর্যন্ত বিস্তৃত তাঁর মহাকাব্যিক জীবন। সূর্যতেজে দীপ্যমান, মহাতেজস্বী, প্রবল জাত্যভিমানী, অহঙ্কারী, স্থিরপ্রতিজ্ঞ বিশালহৃদয় বিদ্যাসাগর ছিলেন জ্ঞান, কর্ম, প্রেম ও পৌরুষের জ্বলন্ত প্রতিমূর্তি। অনেক সাগর মিলে হয় মহাসাগর। দয়ার সাগর, করুণার সাগর, দানের সাগর, বিদ্যার সাগর মিলে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও মহাসাগর।

    এই ক্ষুদ্র গ্রন্থের পাতায় তাঁকে পূর্ণ রূপে বিধৃত করা সম্ভব নয়। তবু, মিথ-এর নির্মোকমুক্ত তথ্যের আলোকে উদ্ভাসিত মাটির মানুষ বিদ্যাসাগরকে পূর্ণ রূপে দেখার প্রচেষ্টা আছে এখানে। নবীন হৃদয়ে বিদ্যাসাগরের সত্য রূপ প্রতিষ্ঠা করাই এই গ্রন্থের লক্ষ্য।

     250.00
  • শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায়
    পিয়ের-অগুস্ত রেনোয়া : এক সৌন্দর্যসাধকের জীবন ও শিল্প

    শিল্প-আন্দোলনের ইতিহাসে ইমপ্রেশনিজম এক আশ্চর্য ঘটনা। কয়েকজন তরুণের শিল্পশৈলী ব্যঙ্গার্থে এই নাম কুড়িয়েও যে শিল্পজগতে চিরস্থায়ী মর্যাদা লাভ করে তা-ই শুধু নয়, রেনেসাঁস পর্বের পর এই প্রথম আধুনিক কালে দেখা যায় সচেতন এক রীতিকেন্দ্রিক কয়েকজন মহাপ্রতিভার বিকাশ ও বিবর্তন। ইমপ্রেশনিস্টদের প্রত্যেকেই তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত সৌন্দর্যবাদী সৃষ্টি দ্বারা দর্শকচিত্ত জয় করেন। তাঁদের সকলেরই বিশিষ্টতা অতুলনীয়। কিন্তু তার মধ্যেও রেনোয়া-র স্থান বিশিষ্ট। তাঁর চিত্রকলায় আগাগোড়া ধ্বনিত এক আনন্দগান, তাঁর শিল্পভুবনে চলে এক অবিরাম আনন্দোৎসব। মনে রাখতে হবে যে, ইমপ্রেশনিস্টরা যখন সক্রিয়, তখন ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস মলিন ও বিক্ষুব্ধ। যাকে ‘রূঢ় বাস্তব’ বলি তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রেনোয়া-র কম ছিল না : ফ্র্যাংকো-প্রুশীয় মহাযুদ্ধ ও পারি কমিউন-এর সঙ্গে তিনি একজীবনে দেখেন সমাজতন্ত্রী বিপ্লব ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধও। তবু এক বিপন্ন ও ক্লেদাক্ত পৃথিবীতে বসে তিনি রচনা করেন এক অমলিন সৌন্দর্যজগৎ। তাঁর চিত্রকলায় যে-‘সেলিব্রেশন অফ লাইফ’, তার আড়ালে সাধনা অকৃত্রিম বলেই তার আবেদন আজও অটুট। রেনোয়া-র মৃত্যুশতবর্ষ স্মরণ করে এ বই আমাদের শ্রদ্ধা-তর্পণ।

     200.00
  • শুভেন্দু দাশগুপ্ত সম্পাদিত
    বাংলা পোস্টার : দুই বাংলার লেখা ও ছবি

    পোস্টারকে শিল্পকলার ইতিহাস সেভাবে জায়গা দেয়নি, দেয় না। তাই ‘দলিত’ পোস্টারকে ‘ব্রাহ্মণত্ববাদী প্রতিষ্ঠানিকতা’র বাইরে জায়গা খুঁজে নিতে হয়। রাজ-নীতিক আন্দোলনে, প্রতিবাদে, মিছিলে, ঘোষণায়, যাত্রায়, সার্কাসে, জলশায়, ছোট অনুষ্ঠানের প্রচারে, ছোট সংস্থার শিল্পনির্মাণে, এমন-এমন সব বিষয়ে। তাই বাংলা পোস্টার নিয়ে বাংলায় বই লেখা হয় না, হয়নি, প্রবন্ধ হাতে-গোনা।
    পোস্টার এক যৌথ শিল্প। অংকনশিল্পী, অক্ষরশিল্পী, বিন্যাসশিল্পী, মুদ্রণশিল্পী— এঁদের সমবেত সৃষ্টি। মুদ্রণশিল্পের ইতিহাসের সাথে পোস্টারশিল্পের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। পোস্টার-শিল্পের ইতিহাস পড়লে মুদ্রণশিল্পের ইতিহাস পড়া হয়ে যাবে। একই ভাবে সময়কাল সাজিয়ে রাজনৈতিক পোস্টার পড়লে রাজনীতির ইতিহাস পড়া হয়ে যায়। এ ভাবেই কোন অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ইতিহাস, সামাজিক ইতিহাস চর্চার অন্যতম উপাদান সাংস্কৃতিক পোস্টার, সামাজিক বিষয়ের পোস্টার। এ ভাবেই চলে আসে পোস্টার থেকে পড়ে নেওয়া ছবির ইতিহাস, দেখানো ছবির ইতিহাস, বাক্যের ইতিহাস, লেখা কথা শব্দ শ্লোগানের ইতিহাস।
    সব মিলিয়ে পোস্টার ইতিহাসের এক জরুরি উপাদান। বাংলা পোস্টার নিয়ে এই সংকলনে দর্শক ও পাঠক তার খানিক আন্দাজ পাবেন বলেই আমাদের ধারণা।

     

     850.00  750.00
  • ভিনসেন্ট ভান গখ – পল গগ্যাঁ
    দুই শিল্পীর চিঠি : পারস্পরিক পারম্পরিক 

    পল গগ্যাঁ ও ভিনসেন্ট ভান গখ-এর প্রথম দেখা হয় প্যারিসে, ১৮৮৭ সালের শেষদিকে। প্রাথমিক পরিচয়ের পরের পর্যায় শুরু হয় পরস্পরের ছবি বিনিময় দিয়ে, আর সেই সূত্রেই শুরু হয় চিঠির আদানপ্রদান। ঘটনাবহুল তাঁদের বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব মাত্রই দু-আড়াই বছর, কিন্তু উভয়ের কাছেই এই সময়পর্ব গুরুত্বপূর্ণ। এর শেষ হয় গখ-এর স্বেচ্ছামৃত্যুতে, আর তার কয়েক মাস পরেই গগ্যাঁ তাঁর জীবনের ও শিল্পদর্শনের শেষ গন্তব্য তাহিতি-র উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

    এক অর্থে এই চিঠিগুলি পাশ্চাত্যের শিল্প-ইতিহাসের এক বিশেষ পর্বের প্রাথমিক দলিলও। দুর্ভাগ্যবশত, দুনিয়া জুড়েই মানুষ শিল্প নিয়ে নানা গালগল্পে অভ্যস্ত। এই চিঠিগুলি হতে পারে তার পালটা এবং প্রকৃত বয়ান। শিল্পীদের নিজেদের বয়ানেই তাঁদের দৈনন্দিন জীবন, কাজ ও ভাবনার কথা জানা সব সময়েই ভালো। বিস্ময়কর যে শরীর-স্বাস্থ্যের সাংঘাতিক অবস্থা এবং চিরদারিদ্র্যের মধ্যেও এই দু-জন শুধু ছবিই আঁকেননি, সেই সঙ্গে তাঁদের প্রতিদিনের জীবন ও ভাবনাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশদে বর্ণনা করে গেছেন। একদিক থেকে এই সব চিঠি হল তাঁদের শিল্পভাবনার তাত্ত্বিক দলিল, তাঁদের শিল্প-ইস্তাহারও।

    উপস্থাপনার দিক থেকে এ বই একেবারেই পরীক্ষামূলক, গোটা বইটি মুখবন্ধ খামের মতো, সচিত্র গোটা বইটি তার মধ্যে বুনে দেওয়া, খাম খুলে চিঠি পড়ার মতোই এ বই পড়তে হবে। নিঃসন্দেহে, কোন বই এর আগে ঠিক এ ভাবে এই ভূখণ্ডে প্রকাশিত হয়নি।

    নোকতা (বাংলাদেশ)-এর বই। প্রথম সংস্করণ

     

     260.00  230.00
  • সুব্রতকুমার মুখোপাধ্যায়।। সুশীলকুমার বর্মন
    ঝাড়গ্রাম জেলা প্রত্ন পরিক্রমা

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমাংশে অবস্থিত ঝাড়গ্রাম মহকুমাকে ঝাড়গ্রাম জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল। ছোটনাগপুর মালভূমির অবক্ষয়িত প্রান্তভাগ এই অঞ্চল ছিল প্রাগৈতিহাসিক মানবের  চারণভূমি। মানবসভ্যতার আদি কাল থেকে আধুনিক কালে বিবর্তনের চিহ্নসমূহ সুস্পষ্ট ভাবে অঙ্কিত হয়ে রয়েছে  ঝাড়গ্রাম জেলার প্রতিটি ধূলিকণায়। যুগে-যুগে বহু ধর্মগুরু ধর্মপ্রচারে আবির্ভূত হয়েছেন জঙ্গলাকীর্ণ এই রাঢ়ভূমিতে। বহু সহস্র বছরের প্রাচীন আদিবাসী ধর্মচর্চার সমান্তরালে কখনও জৈন, কখনও বৌদ্ধ, কখনও আবার বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটেছে কঙ্করময় এই লোহিত-মৃত্তিকায়। কিন্তু আদিবাসী সংস্কৃতি ব্যতীত অন্য কোন সংস্কৃতিই এখানে স্থায়ী আসন বিস্তার করতে পারেনি। বিভিন্ন ধর্মচর্চার নিদর্শনগুলি কিন্তু থেকে গেছে ঝাড়গ্রাম জেলার আনাচকানাচে। এই জেলার পথে-ঘাটে-প্রান্তরে, বিশেষত কাঁসাই, তারাফেনি, ভৈরববাঁকি, সুবর্ণরেখা, ডুলুং, পলপলার অববাহিকায় ছড়িয়ে রয়েছে হাজার-হাজার প্রত্ন-নিদর্শন যার অধিকাংশই এ পর্যন্ত অনালোচিত বা স্বল্পালোচিত। ঝাড়গ্রাম জেলার পাহাড়-মালভূমি, গুহাকন্দর, বনজঙ্গলে নিবিড় অনুসন্ধান ও সমীক্ষায় প্রাপ্ত মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ, জমিদার-রাজাদের ইতিবৃত্ত ও ধর্ম-সংস্কৃতি বিষয়ক পুরাতাত্ত্বিক বিবরণ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে ‘ঝাড়গ্রাম জেলা প্রত্ন-পরিক্রমা’ বইটিতে। বইটি শুধু প্রত্ন-পরিক্রমা নয়, ঝাড়গ্রাম জেলা ও পার্শ্বস্থ এলাকার আঞ্চলিক ইতিহাস পরিক্রমার চাহিদাও অনেকাংশে পূরণ করবে।

     300.00
  • সুহৃদকুমার ভৌমিক
    আর্য রহস্য 

    আর্য মানে যে কৃষক, স্থায়ী গৃহস্থ, সে-সম্বন্ধে সন্দেহ নেই। আর ঋগ্বেদের বিরাট অংশ হল চাষবাস বিষয়ক মন্ত্র। তাই য়ুরোপীয় কোন-কোন পণ্ডিত ঠাট্টা করে বলতেন, ঋগ্বেদ হল চাষার গান। এই উক্তিতে আমাদের অনেক পণ্ডিতের মনে কষ্টও হয়েছে। “বেদের বহু স্তোত্রে চাষের কথা আছে। ভূমি সুজলা সুফলা হয়, তাহার জন্য দেবতাদের নিকট অনেক প্রার্থনাও আছে। সুতরাং তাহাদের সিদ্ধান্ত হইল, বৈদিক স্তোত্রকারগণের যে সমাজ তাহা সভ্যতার আদিম বা চাষের স্তরে মাত্র উঠিয়াছিল। তাঁহারা মন্তব্য করিলেন, বৈদিক মন্ত্র সব চাষার গান।” কথাটা কিন্তু অমূলক নয়। কারণ শব্দবিচার করে আমরা জানতে পারব— আর্য শব্দের মৌলিক অর্থই হল কৃষক।

    আজকের দিনে অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী পণ্ডিতই বলছেন, তামাম পৃথিবীতে যে-সমস্ত সংস্কৃত শব্দের অপব্যাখ্যা হয়েছে, তার মধ্যে ‘আর্য’ শব্দটি বোধ হয় সবচেয়ে অভাগা। এর পেছনে কাজ করেছে পাশ্চাত্যের গূঢ় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং সাম্রাজ্যবাদী বাসনা। সংস্কৃতিতত্ত্ব আর ভাষাতত্ত্বের সূত্রে আর্য জাতি সম্পর্কে প্রকৃত সত্যের উদ্‌ঘাটনই এই বইয়ের প্রধান উদ্দেশ্য। সব অর্থেই এ বই বিস্ফোরক বই, প্রচলিত ধ্যানধারণা নাড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ৬৮ পৃষ্ঠা

     100.00
  • এদুয়ার্দো গালেয়োনো
    আয়না : আমাদের প্রায় সব্বার গপ্প

    কেন লিখলেন এমন একটা বই? এর উত্তরে গালেয়ানো জানিয়েছেন, “আমি আমার বইগুলো, বিশেষ করে এই শেষেরটা, ‘মিররস’, লিখেছি এটা দেখানোর জন্য যে বিশ্বের কোন জায়গাই অন্য কোন জায়গার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, কোন মানুষই অন্য কোন মানুষের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দাবি করে না। এ বিশ্বকে যারা নিয়ন্ত্রণ করে তারা আমাদের যৌথ স্মৃতিকে ছিন্ন করেছে, এবং প্রতিদিন তারা আমাদের এখনকার বাস্তবতাকেও ছিন্ন করে চলেছে। প্রভাবশালী দেশগুলোকে শিখতে হবে যে কী ভাবে ‘নেতৃত্ব’ শব্দটা ‘বন্ধুত্ব’ দিয়ে বদলে ফেলা যায়।”

    লেখক এই বইয়ে যা বলতে চেয়েছেন, যা করতে চেয়েছেন, তার ফলে নিছক গল্প-বইয়ের বদলে এ বই হয়ে উঠেছে বিশ্ব-ইতিহাসের এক বিকল্প পাঠ। এর প্রতিটি গল্প নিয়েই গুরুগম্ভীর, রীতিমতো গবেষণামূলক, দীর্ঘ প্রবন্ধ লেখা যায়, গালেয়ানো হাঁটতে পারতেন সে পথে, যদিও সে প্রবন্ধ কেতাবি মহলের বাইরে কেউ পড়ত না, আর পড়লেও মনে রাখত না। বদলে, হয়তো তিনি পাঠককেই প্ররোচিত করেছেন গবেষণার পথে, এর প্রতিটি গল্প মনোযোগী পাঠক হয়তো বিভিন্ন সূত্রে যাচাই করে নিতে চাইবেন, যদি চান, তাহলে সেখানেই লেখকের সার্থকতা।

    প্রায় ছ-শো গল্প-সম্বলিত মূল বইয়ের এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রথম ভাগ। সম্পূর্ণ বইটি মোট তিন ভাগে প্রকাশিতব্য। এই ভাগে আরও রয়েছে লেখকের নানা সময়ে দেওয়া তিনটি সাক্ষাৎকারের বয়ান। বাংলায় রূপান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য।

     385.00
  • দীপংকর লাহিড়ী
    শাশ্বত : মহাভারতের পুনর্পাঠ

    মহাভারত এক বহুমাত্রিক মহাকাব্য। পাশ্চাত্যের গবেষকদের মতে ‘সুপার এপিক’, আমরা যার বাংলা করতে পারি অতিমহাকাব্য। তাঁদের দর্শানো কারণ মহাভারতের ব্যাপ্তি, আয়তনে যা ইয়োরোপীয় দুই মহাকাব্যের মিলিত আয়তনের আট গুণ। কিন্তু মহাভারতের কালের ব্যাপ্তি সম্বন্ধে গবেষকরা বিশেষ কিছু ভাবেননি। মহাভারত মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশেরও এক বাচিক দলিল। ভূবিদ্যার একটি শাখার অনুসন্ধানের পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমান গ্রন্থ তার কালক্রমিক মাত্রা উন্মোচনের গবেষণামূলক প্রচেষ্টা। তাই এখানে এসেছে কাল-ক্রমিক বিবর্তনের ধারায় গণ থেকে জন, মাতৃতন্ত্র থেকে পিতৃতন্ত্র, সভ্যতার স্তরক্রম, রাজনীতি থেকে অর্থশাস্ত্র, সমরনীতি, সমাজের উন্নতি ও অবক্ষয়, যার আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে ইয়োরোপ, মিশর, মধ্য প্রাচ্য ও ভারতের নথিবদ্ধ ইতিহাসের ভিত্তিতে। বহুদর্শী লেখকের এ এমন এক বই, যা বহু দিন ধরে পাঠকের নিত্যসঙ্গী হয়ে থাকবে।

     300.00
  • সিমন দ্য বোভোয়া
    মেয়েদের হার মেয়েদের জিত

    আত্মজীবনীর নির্বাচিত অংশ এবং সঙ্গে আরও দুটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে মেয়েদের জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক নিয়ে বিশদে আলোচনা করেছেন সিমন, এসেছে তাঁর প্রবাদপ্রতিম বই ‘দ্য সেকেন্ড সেক্স’-এর কথা, আধুনিক নারীবাদের সূচনা ও পরবর্তী বিকাশের কথা। সারা জীবনের লেখাপত্র নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আর-একটি সাক্ষাৎকারে।

    লেখিকার জন্মশতবর্ষে প্রকাশিত বইয়ের পরিবর্ধিত সংস্করণ, আপাতত শুধু ই-সংস্করণ হিসেবে।

     50.00
  • সুহৃদকুমার ভৌমিক
    ঝাড়খণ্ডে মহাপ্রভু

    ঝাড়খণ্ড নামটি নূতন নয়। চৈতন্য মহাপ্রভুর সময়ে এই অঞ্চল এই নামেই পরিচিত ছিল। ২৩শ জৈন তীর্থঙ্কর পাশ্বর্ণনাথ পাহাড়ে নির্বাণ লাভ করেন। ২৪শ জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীর বা বর্ধমানস্বামী জৈন ধর্ম প্রচারকল্পে শিষ্যবৃন্দ-সহ বারো বছর ‘লাড়া’ বা ‘রাঢ়’ভূমিতে ভ্রমণ করেছিলেন। ৫৪৭-সংখ্যক বিশ্বম্ভর জাতকের কাহিনী অনুসারে ভগবান বুদ্ধ পূর্বজন্মে বঙ্কুগিরি পাহাড়ে তপস্যারত অবস্থায় মারা যান। বঙ্কুগিরি বর্তমান বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড়। বুদ্ধদেব বোধিলাভের পর এই পাহাড়ে এসেছিলেন। জনশ্রুতি যে রাঁচি জিলার নির্জন জনহা জলপ্রপাতের এক গুহায় গৌতম বুদ্ধ কিছুদিন তপস্যা করেছিলেন। ভগবান বুদ্ধের বহু কাল পরে শ্রীচৈতন্যও তাঁর ধর্মপ্রচারের ক্ষেত্র হিসাবে রাঢ়ভূমি তথা ঝাড়খণ্ডকে গ্রহণ করেছিলেন। কেন মহাপ্রভু অবহেলিত আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়খণ্ডে প্রেমধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন, কী তার পটভূমি আর তাঁর প্রভাবই বা কত স্থায়ী হয়েছিল– তারই ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক আলোচনা এই গ্রন্থের বিষয়।

     70.00
  • দীপংকর লাহিড়ী
    শাশ্বত : মহাভারতের পুনর্পাঠ

    মহাভারত এক বহুমাত্রিক মহাকাব্য। পাশ্চাত্যের গবেষকদের মতে ‘সুপার এপিক’, আমরা যার বাংলা করতে পারি অতিমহাকাব্য। তাঁদের দর্শানো কারণ মহাভারতের ব্যাপ্তি, আয়তনে যা ইয়োরোপীয় দুই মহাকাব্যের মিলিত আয়তনের আট গুণ। কিন্তু মহাভারতের কালের ব্যাপ্তি সম্বন্ধে গবেষকরা বিশেষ কিছু ভাবেননি। মহাভারত মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশেরও এক বাচিক দলিল। ভূবিদ্যার একটি শাখার অনুসন্ধানের পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমান গ্রন্থ তার কালক্রমিক মাত্রা উন্মোচনের গবেষণামূলক প্রচেষ্টা। তাই এখানে এসেছে কাল-ক্রমিক বিবর্তনের ধারায় গণ থেকে জন, মাতৃতন্ত্র থেকে পিতৃতন্ত্র, সভ্যতার স্তরক্রম, রাজনীতি থেকে অর্থশাস্ত্র, সমরনীতি, সমাজের উন্নতি ও অবক্ষয়, যার আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে ইয়োরোপ, মিশর, মধ্য প্রাচ্য ও ভারতের নথিবদ্ধ ইতিহাসের ভিত্তিতে। বহুদর্শী লেখকের এ এমন এক বই, যা বহু দিন ধরে পাঠকের নিত্যসঙ্গী হয়ে থাকবে।

     100.00
  • মলয় রায়
    বাঙালির বেশবাস : বিবর্তনের রূপরেখা

    বাংলার প্রাচীন ও মধ্য যুগের পুঁথি, মন্দির-সংলগ্ন ফলক আর ভাস্কর্য, লৌকিক পট, কাঠখোদাই আর তেলরঙের ছবি, আধুনিক আলোকচিত্র এবং বিভিন্ন বই আর সাময়িকপত্রে বাঙালির বেশবাস-সংক্রান্ত অসম্বদ্ধ ভাবে ছড়িয়ে থাকা অজস্র তথ্যের ভেতর থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংকলন, নির্বাচন, বিশ্লেষণ আর কালানুক্রমিক ভাবে তা বিন্যস্ত করে এবং সাধ্যমতো তার চিত্রিত নথি পেশ করে বাঙালির বেশবাসে বিবর্তনের সুদীর্ঘ ধারাকে পূর্ণাঙ্গ এই গ্রন্থে ধরেছেন লেখক। বাংলা বা অন্য কোন ভাষায় বাঙালির বেশবাস সম্পর্কে এমন আলোচনার যথেষ্ট অভাব রয়েছে, আর সে অভাব এই বইতে নিঃসন্দেহে অনেকটা পূরণ করেছেন তিনি।

    ২৩৫ পৃষ্ঠা, ৩ এমবি

     100.00
  • শুভেন্দু দাশগুপ্ত
    তখন যেমন এখন তেমন : বাংলা কার্টুনে সময়ের ছবি

    এ দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক দুরবস্থা পঞ্চাশ-একশো বছর আগে যেমন ছিল, এখনও মনে হয় রয়ে গেছে তেমনই, পালটায়নি কিছু। বাংলার সংবাদপত্র আর সাময়িকপত্রে প্রকাশিত কার্টুন বা ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে গবেষণার সূত্রে এই অপ্রিয় সত্য প্রায় নতুন করে উপলব্ধি করেছেন লেখক।

    গগনেন্দ্রনাথ, চিত্তপ্রসাদ, সোমনাথ হোর, পরিতোষ সেন, রেবতীভূষণ, অমল চক্রবর্তী, সুফি, কাফী খাঁ, চণ্ডী লাহিড়ী, কুট্টি প্রমুখের মূল কার্টুনের প্রতিলিপি-সহ এই বইয়ে রয়েছে প্রাসঙ্গিক তথ্য আর টীকাভাষ্য।

    এ বই কার্টুনের সূত্রে একটা কালপর্বের বাংলার সামাজিক-রাজনৈতিক ইতিহাসও।

     70.00
  • সুপর্ণা লাহিড়ী বড়ুয়া
    বদলে যাচ্ছে খাসি মায়েদের গল্প 

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট পাহাড়ি দেশ মেঘালয় – মেঘেদের বাড়ি। তিনটে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এই দেশ – খাসি-গারো-জয়ন্তিয়া। মূল অধিবাসীরাও খাসি-গারো আর জয়ন্তিয়া জনজাতির। মেঘালয়ের সমস্ত জনজাতির সমাজই মাতৃপ্রধান, মায়ের বংশ-পরিচয়েই সেখানে সন্তানের পরিচয়। মায়েরাই মূলত বহন করে সন্তানের দায়িত্ব। পিতৃতান্ত্রিক পরিকাঠামোর বিপরীতে এই যে মাতৃপ্রাধান্যের সমাজ – কেমন সেই সমাজ? এ কথা জানার আগ্রহে এই বইয়ে আপাতত খাসি জনজাতির সমাজকে বেছে নিয়েছেন লেখিকা। গত কয়েক বছর ধরে এ জন্য তিনি খাসি লোককথা, গল্প, কবিতা, মেঘালয় থেকে প্রকাশিত খাসি খবরের কাগজ, পত্রপত্রিকা ইত্যাদি পড়েছেন; বারংবার মেঘালয়ে গেছেন, প্রত্যন্ত সব এলাকায় পাড়ি দিয়েছেন; সেখানকার মিউজিয়াম, বাজার, বইয়ের দোকানে গেছেন; খাসি সমাজের মানুষ, বিশেষত মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করেছেন। এ বই তার ফসল। অতীত থেকে বর্তমান, খাসি সমাজের এক সার্বিক পরিচয় ধরা থাকল এই বইতে।

     100.00
  • মধুপ দে
    ঝাড়গ্রাম : ইতিহাস ও সংস্কৃতি 

    ঝারিখণ্ড, ঝাড়খণ্ড, ঝাড়গ্রাম বা জঙ্গলমহল হল আদি নিষাদজনের বাসস্থান। বঙ্গ-সংস্কৃতির উৎসসন্ধানে লেখক এই ভূখণ্ড সম্পর্কে সংগৃহীত সমূহ তথ্য একত্র করে ও কালানুক্রমে তা বিন্যস্ত করে গড়ে তুলেছেন এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক রূপরেখা। প্রাচীন যুগ থেকে মুঘল ও ব্রিটিশ যুগ পার হয়ে আধুনিক কাল পযন্ত প্রসারিত হয়েছে তাঁর পরিক্রমা। ইতিহাসের সূত্র ধরেই এসেছে এ অঞ্চলের বিভিন্ন রাজবংশের কথাও, তাঁদের নানান কীর্তি ও কাহিনী সবিস্তারে লিখেছেন তিনি। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে এ অঞ্চলের জনবিন্যাস থেকে, শিক্ষা, সাহিত্য, ভাষা, পরব-পার্বণ, উৎসব, মেলা, লোকশিল্প ও সংস্কৃতির কথা। সব মিলিয়ে, এ অঞ্চলের সার্বিক ইতিহাসের খোঁজে এই বইয়ের খোঁজ করতে হবে বার-বার।

    ISBN: 978-93-80542-52-2
    তৃতীয় পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ, ৩২০ + ১৬ পৃষ্ঠা

     400.00
  • শ্রীগিরিশচন্দ্র বেদান্ততীর্থ
    বঙ্গে দুর্গোৎসব

    ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত এই পুস্তকের নিবেদন অংশে গিরিশচন্দ্র বেদান্ততীর্থ লিখেছিলেন, “বাঙ্গালী পাঠকপাঠিকাগণ ইহা পাঠ করিয়া দুর্গাপূজা–রহস্য ও বাঙ্গালীর পুরাতন অবস্থা কিয়ৎপরিমাণে পরিজ্ঞাত হইলেও স্বকীয় পরিশ্রম… সফল মনে করিব।”

    গিরিশচন্দ্রের জন্ম ময়মনসিংহে। অধ্যাপনা করেছেন রাজশাহীর রানি হেমন্তকুমারী সংস্কৃত কলেজে। রাজশাহীর বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। এই পুস্তকে তিনি মহিষাসুরের জন্মবৃত্তান্ত, কাত্যায়নী নাম-নিরুক্তি, মহিষাসুরের স্বপ্নবৃত্তান্ত, ব্রহ্মশাপবৃত্তান্ত, দেবীর বর্ণ, মৃন্ময়ী মূর্ত্তিতে দুর্গাপূজা, বিসর্জ্জন, দেবীপুরাণ ও কালিকাপুরাণ, দুর্গোৎসবের কাল, নবদুর্গা, পদ্ধতিবিবরণ, দুর্গারহস্য ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ : কৌলীন্যমার্গ রহস্য, সরস্বতী তন্ত্র, প্রাচীন শিল্প পরিচয়। সম্পাদনা করেছেন : পুরুষোত্তম ভাষাবৃত্তি, তারাতন্ত্র, কুলচূড়ামণিতন্ত্র ইত্যাদি। ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’তে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নানা প্রবন্ধ।

    প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ৬৪ পৃষ্ঠা

     100.00