Brands

Sort By:
View:
  • রুই জিঙ্ক
    বেড়াতে যাওয়ার ঠিকানা 

    মূল পর্তুগিজ থেকে ভাষান্তর : ঋতা রায়

    ড. শোভন সিনহার বাঁচার আর কোন সাধ নেই, তিনি মরতে চান। কিন্তু আত্মহত্যা করার সাহসটাও তাঁর নেই। তিনি চান তাঁকে কেউ হত্যা করুক। তাই কলকাতা থেকে তিনি পৌঁছে যান এমন এক যুদ্ধ-কবলিত এলাকায় যেখান থেকে নাকি প্রাণ নিয়ে ফেরাটাই আশ্চর্যের— অন্তত ট্যুরিজমের ব্রোশিওরগুলো তো তা-ই বলে। হাতে সময় সাত দিন ছয় রাত। ড. সিনহা কি সফল হবেন? এই নিয়ে বাংলায় অনূদিত রুই জিঙ্ক-এর নতুন উপন্যাস। এই বইয়ের বিশেষত্ব হল, এর নায়ক ‘গ্রেগ’ আসলে ভারতীয়, নাম সেরভাজিত দুভলা, স্ত্রীর নাম রুবিনা, ছেলে কৃষেণ। কোথায় থাকে পরিষ্কার করে বলা নেই, একবার মাপুসা-র উল্লেখ আছে। সেরভাজিতের মা গোয়ার, বাবা হিন্দু, কোথাকার তা বলা নেই। রুইয়ের মনে হয়েছে বাঙালি পাঠকদের কাছে পৌঁছতে হলে এদের সবাইকে কলকাতার বাঙালি করে দিতে হবে। নায়কের নামটা নিজেই দিয়েছেন — শোভন। তাই রুবিনা হয়েছে বীণা, কৃষেণ শুভজয়, মোহিনী সোহিনী। বাকিটা বিশেষ পাল্টানো হয়নি, তাই গল্পে স্কুলের বা রাস্তার সঙ্গে যদি কলকাতার স্কুলের বা রাস্তার কোন মিল না পাওয়া যায় তো পাঠক নিজগুণে ক্ষমা করবেন। এটা তো সত্যি যে লেখক এই উপন্যাস লেখার আগে কলকাতায় আসেননি। পরে অবশ্য চার বার এসেছেন এবং একা-একা পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। আপাতত প্রকাশিত হল ই-বুক হিসেবে, যথাসময়ে এর মুদ্রিত সংস্করণও পাওয়া যাবে।

     100.00
  • ছুদেন কাবিমো
    ফাৎসুঙ্‌ : দার্জিলিং পাহাড়ের মাটির কথা 

    ‘ফাৎসুঙ্‌’ একটা লেপচা শব্দ, যার অর্থ মাটির কথা। কালিম্পং শহরের পটভূমিতে লেখা ছুদেন কাবিমো-র সাম্প্রতিক এই সাড়া-জাগানো নেপালি উপন্যাসটি আসলে দার্জিলিং-এর জন্য লড়াই করা সেই শত-শত যুবকের গল্প, যাদের স্বপ্ন মিলিয়ে গেছে। এ সেই দীর্ঘশ্বাসের গল্প, যাদের সময় ফুরিয়ে গেছে। এ একটা শহিদ হয়ে-যাওয়া স্বপ্ন, যার জন্য হাজার-হাজার মানুষ অবলীলায় বাজি রেখেছিল জীবনকে। জাতিগত পরিচয়-সত্তার স্বীকৃতি দাবির আন্দোলনকে দেখার এ একটা জানালা, দার্জিলিং পাহাড়ের জীবন ও সংগ্রামের জলজ্যান্ত এক ধারাবিবরণীও বটে। বাঙালি পাঠকের জন্য এ বই মূল নেপালি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন শমীক চক্রবর্তী।

    প্রথম সংস্করণ, ১৫৬ পৃষ্ঠা

     200.00