Brands

Sort By:
View:
  • ফেদেরিকো ফেলিনি
    একটি ছবির জন্ম ও অন্যান্য
    নির্বাচিত রচনা বক্তৃতা সাক্ষাৎকার

    চলচ্চিত্র-পড়ুয়াদের কাছে ইতালির মহত্তম পরিচালক ফেদেরিকো ফেলিনি (১৯২০-১৯৯৩) অবশ্যপাঠ্য। ‘লা স্ত্রাদা’, ‘লা দোলচে ভিতা’, ‘এইট অ্যান্ড হাফ’ বা ‘আমারকর্দ’-এর মতো আশ্চর্য সব কিংবদন্তি তৈরি হয়েছে তাঁর হাতে। অবশ্যপাঠ্য বলতে প্রথমত ফেলিনি-র ছবিই যে আগে পড়তে হবে, অর্থাৎ দেখতে হবে, সে-কথা বলা বাহুল্য। তার পরে আসে অন্যান্য সূত্র, অর্থাৎ তাঁর সম্পর্কে তাঁর নিজের এবং সমালোচকদের ভাষ্যপাঠের প্রশ্ন। কিন্তু সমালোচকরা কেউ তাঁকে বলেছেন ভণ্ড, ক্লাউন একটা, পাক্কা শয়তান। কেউ আবার বলেছেন, ওঃ যাদুকর লোক, পুরোদস্তুর কবি, সত্যিকারের প্রতিভাবান। বেশ। কিন্তু ফেলিনি নিজে কী বলছেন? নিজের জীবন, নিজের ছবি ইত্যাদি নিয়ে তাঁর নিজের ভাবনাটা কী? এ বইতে ঠিক সেই ভাবনার হদিশই রয়েছে ফেলিনি-র নিজের বয়ানে। আধুনিক চলচ্চিত্র নিয়ে উৎসাহী পাঠকের অবশ্যপাঠ্য।

     225.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    সভ্যতার সংকট ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

    গত শতকের চল্লিশের দশক নাগাদ শব্দ যুক্ত হওয়ার এক দশকের মধ্যে চলচ্চিত্র এক সাধারণ ভাষায় স্থিত হয়েছিল। সত্যজিৎ রায় সেই সব চলচ্চিত্রকারদের অন্যতম যাঁরা এই সাধারণ ভাষায় তাঁদের চলচ্চিত্রকথা রচনা করেছেন। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি শুরু হয়ে প্রায় চার দশক ধরে নির্মিত হয়েছে ইমেজ-শব্দের এক ধনী ভাণ্ডার, সূক্ষ্ম সংবেদী চিত্রালাপ— ব্যক্তি আর সমাজ প্রসঙ্গে।

    এখন, এই বছর, তাঁর জন্মশতবর্ষে পৌঁছে এই সব ছবি কি অতিক্রান্ত কোন ধ্রুপদী নির্মাণ? আমরা, বাঙালিরা, উপমহাদেশের চলচ্চিত্রজন, কি সাজিয়ে রেখেছি এই সব আশ্চর্য সম্ভার আমাদের সন্তর্পণ কোন চেতনে? যা আমাদের চলচ্চিত্র-ইতিহাসের ভেতর থেকে উৎসারিত? নাকি, সমকালের পাঠে তারা প্রাসঙ্গিক, প্রখর তারা রাজনীতি এবং ব্যক্তির বীক্ষণে, সামাজিক সংলাপে এবং ইতিহাস খননে? এই সব চিন্তা ক্রমাগত কাজ করে চলেছে এই গ্রন্থের হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায়।

    সত্যজিৎ রায়ের গল্প আর সংলাপের নুয়ান্স, সূক্ষ্ম ডিটেলের কাজ, তাঁর ভারসাম্যময় কম্পোজিশন, সংযমী সম্পাদনা নিয়ে প্রচলিত মুগ্ধ উচ্চারণের বাইরে এই চলচ্চিত্রপঞ্জি নিয়ে আর কোন পঠনপ্রক্রিয়ার মধ্যে কি প্রবেশ করা যায়? পুঁজিবাদী বিচ্ছিন্নতা, আরবান গেরিলাযুদ্ধ, বিশ শতকের নতুন তরুণের লিবিডো অথবা নাগরিকদের নৈতিকতার সংকট নিয়ে তাঁর কাছে যাওয়া যায় কি? এ সব খতিয়ে দেখতে-দেখতে প্রায় তিরিশ বছর ধরে এই গ্রন্থের নির্মাণ। চেষ্টা করা গেছে সত্যজিৎ রায়ের ধ্রুপদী ঐশ্বর্য এবং কালাতিক্রমী প্রাসঙ্গিকতার এক কম্পোজিট পাঠ উপস্থাপনের।

     485.00
  • দীপেন্দু চক্রবর্তী
    সিনেমা নিয়ে কথা 

    সিনেমা নিয়ে নানান পত্রিকায় কয়েক দশক ধরে লিখছেন দীপেন্দু চক্রবর্তী, বলা যায় এই প্রথম তা একত্র হল। ফলে পাঠক যেমন সিনেমা নিয়ে লেখকের ভাবনার ব্যাপ্তি ও গভীরতার সন্ধান পাবেন এখানে, তেমনই যেহেতু দীপেন্দু লিখেছেন মূলত বাংলা সিনেমা নিয়ে, তাই গত কয়েক দশকের বাংলা সিনেমার একটা ক্রম-ইতিহাসও পেয়ে যাবেন এই সূত্রে। কেউ-কেউ হয়তো লেখকের মতে আস্থা রাখবেন, আবার কেউ-কেউ, আশা করা যাক যে হয়তো প্ররোচিত হবেন তুমুল তর্কে। বলা থাক, পাঠকের সঙ্গে এহেন মত-বিনিময়ে লেখকের অরুচি নেই। সহমত-ই হোন বা প্ররোচিত হোন তর্কে, একটা কথা ঠিক যে এ সমস্ত লেখা পড়তে শুরু করলে শেষ না করে তৃপ্তি নেই।

    প্রথম সংস্করণ, ১৬৫ পৃষ্ঠা

     210.00
  • রবের ব্রেসঁ
    চলচ্চিত্র : চিন্তাবীজ
    ‘নোট্‌স অন সিনেমাটোগ্রাফি’ ও এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের বয়ান
    সংকলন ও ভাষান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য

    ‘নোট্‌স অন সিনেমাটোগ্রাফি’ ফরাসি চলচ্চিত্রকার রবের ব্রেসঁ-র লেখা একমাত্র বই। দীর্ঘদিন ধরে ছোট-ছোট সূত্রের আকারে বা আমরা যেমন বলেছি, প্রায় বীজের আকারে চলচ্চিত্র নিয়ে ভাবনা এখানে নথিবদ্ধ করেছিলেন ব্রেসঁ।
    ‘ন্যুভেল ভাগ’ ফরাসি নিউ ওয়েভ চলচ্চিত্রকারদের ওপর ব্রেসঁ-র কাজের বিপুল প্রভাব পড়েছিল। গোদার ফরাসি চলচ্চিত্রে তাঁর অবদানকে জার্মান সঙ্গীতে মোজার্ট এবং রুশ সাহিত্যে দস্তয়ভস্কি-র অবদানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। অন্য দিকে, তারকভস্কি তাঁকে বাখ এবং লিওনার্দো দা ভিঞ্চি-র সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করেছেন।
    এ বইয়ে রয়েছে ‘নোট্‌স অন সিনেমাটোগ্রাফি’-র সম্পূর্ণ অনুবাদ। সূত্রাকারে তাঁর ভাবনার যেটুকু সেখানে অধরা বলে মনে হবে, সংশ্লিষ্ট দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে তার অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

     350.00
  • আন্দ্রে বাজাঁ
    কাকে বলে সিনেমা?

    চলচ্চিত্রের ভাষা কখন একটি পরিণত রূপ লাভ করেছিল? তখনও পর্যন্ত চলচ্চিত্র শৈলীর মূল বিতর্কগুলো কী ছিল? নাটক বা উপন্যাসের মতো প্রাচীন অভিব্যক্তিগুলোর সঙ্গে চলচ্চিত্র কোন্‌ কানুনগুলোর ভেতর দিয়ে লেনদেন করে? অথবা আরও পিছিয়ে গিয়ে, ছবি কি বিশ্বাসের বাহন, নাকি বাস্তবের সূচক হয়ে উঠতে চায়? এই সংলাপে প্রাচীন ভাস্কর্য, চিত্রকলা আর আলোকচিত্র কী ভাবে নিজের অবস্থানকে সংহত করে—কী ভাবে প্লাস্টিক শিল্পের ইতিহাস পাঠ করব আমরা?
    এই ভাবনাগুলো মূলগত। এদের স্তরবিন্যাস বহুমাত্রিক। দর্শন এবং মনস্তত্ত্ব ইমেজ বিশ্লেষণে এখানে প্রভাবী। এই গ্রন্থের লেখক আন্দ্রে বাজাঁ সম্ভবত প্রথম চলচ্চিত্র-তাত্ত্বিক। গত শতকের চল্লিশের দশক নাগাদ চলচ্চিত্রের ভাষা যে পরিণত স্থিতাবস্থা অর্জন করেছিল তার শৈলীভাণ্ডারের মহাগ্রন্থনা করেছিলেন তিনি। ইমেজ ধারণে, সম্পাদনার পছন্দে এবং শব্দ ও নিঃশব্দের ব্যবহারে কী ভাবে চলচ্চিত্রিক বর্ণনা সম্পন্নতা অর্জন করেছিল তার বিবরণ তিনি উপস্থাপন করেছিলেন।
    ‘কাকে বলে সিনেমা?’ গ্রন্থে তার প্রস্তাব, তর্ক, সিদ্ধান্ত চলচ্চিত্রতত্ত্বের সূচনা করেছিল আজ থেকে সত্তর বছর আগে। সাত দশকের পরবর্তী যাত্রায় চলচ্চিত্র নানা ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে; এই গ্রন্থ সকল পরিবর্তনের ভেতরে চিন্তাবীজ হিসেবে চলচ্চিত্রভাষার বিকাশকে পুষ্টি দিয়ে চলেছে। তার শক্তি ইতিহাস-চেতনায়, ভবিষ্যৎমুখী প্রেরণায় এবং চলচ্ছবির প্রতি নিখাদ ভালোবাসায়।

    নোকতা-র বই
    প্রথম সংস্করণ, ২৭৮ পৃষ্ঠা

     465.00
  • বারীন সাহা
    তেরো নদীর পারে
    ছবির চিত্রনাট্য

    সারা জীবনে এই একটি মাত্র পূর্ণাঙ্গ ছবি করার সুযোগ পেয়েছিলেন ছিলেন বারীন সাহা, আর এই একটি মাত্র ছবির সূত্রেই তিনি আজ কিংবদন্তি। এ ছবির একটি মাত্র প্রিন্ট আছে পুনের ফিল্ম ইন্সটিউটে, সেখান থেকে ফ্রেম বাই ফ্রেম ছবিটি দেখে লিখে নেওয়া এই চিত্রনাট্যের বয়ান। সঙ্গে ছবিটির দুর্লভ দশটি স্টিল।

     80.00
  • বারীন সাহা
    চলচ্চিত্রাক্ষর

    ‘তেরো নদীর পারে’র মতো ভিন্ন ধারার ছবির পরিচালক বারীন সাহা সারা জীবনে ছবি করার সুযোগ পেয়েছেন ঐ একটাই, তার সঙ্গে ‘চেঞ্চু’ বা ‘ভাসা’র মতো দুটি ডকুমেন্টারি আর ‘শনিবার’-এর মতো স্বল্প দৈর্ঘ্যের একটি ছবির কথা ধরলে যা দাঁড়াবে, তা দিয়ে বাংলা ছবির জাবদা ইতিহাসে তাঁর নাম লেখার মতো প্রায় কোন জায়গাই জোটে না। পাশাপাশি এ কথাও স্মর্তব্য যে বারীন সাহা তাঁর সময়ে কেতাবি মতেই রীতিমতো শিক্ষিত পরিচালক ছিলেন। খোদ ইয়োরোপে গিয়ে চলচ্চিত্রের পাঠ নিয়েছিলেন হাতে-কলমে, কতিপয় তাবড় পরিচালককে দেখেছিলেন কাছ থেকে, এমনকী পেশাদার হিসেবে ঐ বিদেশেই কাজ করেছিলেন সহকারের। তাঁর স্থান-কালের পরিসরে এ যোগ্যতা আর কার ছিল? কার ছিল এই অভিজ্ঞতা? তবু কেন আর ছবি করলেন না তিনি, কেন তার কোন সুযোগ পেলেন না? ছবি করলেন না তো সারা জীবন করলেন কী? তার কিছু-কিছু সংকেত মিলবে এই বইতে। ভিন্ন ধারার এই চলচ্চিত্র-পরিচালকের লেখা কয়েকটি প্রবন্ধ, সাক্ষাৎকার আর কথোপকথনের বয়ান নিয়ে এই সংকলন। সেই সঙ্গে এই আশ্চর্য মানুষটির জীবন আর কাজকে বোঝার জন্য তাঁর অনুরাগী কয়েকজনের লেখা।

     80.00
  • খ্রিস্তভ কিয়েসলোভস্কি
    প্রেম ও হত্যা
    দুটি ছবির চিত্রনাট্য/ পরিচালকের বক্তব্য ও সাক্ষাৎকার

    ‘প্রেম’ ও ‘হত্যা’ নিয়ে এই দুটি ছোট ছবি আদতে খ্রিস্তভ কিয়েসলোভস্কি পরিচালিত পোলিশ টেলিভিশনের জন্য তৈরি দশটি ছবির সিরিজ ‘ডেকালগ’-এর অন্তর্গত। তার মধ্যে এ দুটি ছবি (ডেকালগ ৫ ও ৬) একই সঙ্গে সামান্য পরিবর্তনসাপেক্ষে ‘আ শর্ট স্টোরি অ্যাবাউট লভ’ এবং ‘আ শর্ট স্টোরি অ্যাবাউট কিলিং’ নামে স্বতন্ত্র দুটি কাহিনিচিত্র হিসেবেও নির্মিত হয়। এখানে প্রকাশিত দুটি চিত্রনাট্যই ঐ কাহিনিচিত্রের। এই সংকলনে আরও আছে ‘ডেকালগ’ নিয়ে পরিচালকের দুটি সাক্ষাৎকার এবং আলাদা করে এ দুটি ছবি নিয়ে তাঁর বক্তব্য।

    পরিবর্ধিত প্রথম বইপত্তর সংস্করণ, ১১৪ পৃষ্ঠা

     160.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    প্রামাণ্যচিত্রকথা

    প্রামাণ্যচিত্রকথা, চলচ্চিত্র-চিন্তার শুদ্ধতায় প্রত্যাবর্তনের চেষ্টাই আসলে। কেননা, প্রামাণ্যকরণ এক ধ্রুব, অনিরামেয় উপসর্গ চলচ্চিত্রের। বাস্তব, সত্য অথবা কল্পনার প্রামাণ্যকরণ। এই উপলব্ধিজাত এই গ্রন্থ, তার আয়োজন। প্রামাণ্যচিত্রের সত্য-যাত্রা, তার ইতিহাসের অ্যাডভেঞ্চার প্রযুক্তি বেয়ে তার সম্ভাবনার অসীম স্থিতিস্থাপকতা– এ ভাবে প্রামাণ্যচিত্রকথার শুরু। বিকল্প প্রকল্পে অথবা জাতীয় চলচ্চিত্রের ল্যান্ডস্কেপে প্রামাণ্যচিত্রের নির্ধারক ভূমিকা আর তারই স্বভাব-চলনে একালের বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র। এই সব তার কথা– প্রামাণ্যচিত্রকথা।

    প্রথম সংস্করণ, ২০৮ পৃষ্ঠা

     280.00
  • বারীন সাহা
    চলচ্চিত্রাক্ষর

    ‘তেরো নদীর পারে’র মতো ভিন্ন ধারার ছবির পরিচালক বারীন সাহা সারা জীবনে ছবি করার সুযোগ পেয়েছেন ঐ একটাই, তার সঙ্গে ‘চেঞ্চু’ বা ‘ভাসা’র মতো দুটি ডকুমেন্টারি আর ‘শনিবার’-এর মতো স্বল্প দৈর্ঘ্যের একটি ছবির কথা ধরলে যা দাঁড়াবে, তা দিয়ে বাংলা ছবির জাবদা ইতিহাসে তাঁর নাম লেখার মতো প্রায় কোন জায়গাই জোটে না। পাশাপাশি এ কথাও স্মর্তব্য যে বারীন সাহা তাঁর সময়ে কেতাবি মতেই রীতিমতো শিক্ষিত পরিচালক ছিলেন। খোদ ইয়োরোপে গিয়ে চলচ্চিত্রের পাঠ নিয়েছিলেন হাতে-কলমে, কতিপয় তাবড় পরিচালককে দেখেছিলেন কাছ থেকে, এমনকী পেশাদার হিসেবে ঐ বিদেশেই কাজ করেছিলেন সহকারের। তাঁর স্থান-কালের পরিসরে এ যোগ্যতা আর কার ছিল? কার ছিল এই অভিজ্ঞতা? তবু কেন আর ছবি করলেন না তিনি, কেন তার কোন সুযোগ পেলেন না? ছবি করলেন না তো সারা জীবন করলেন কী? তার কিছু-কিছু সংকেত মিলবে এই বইতে। ভিন্ন ধারার এই চলচ্চিত্র-পরিচালকের লেখা কয়েকটি প্রবন্ধ, সাক্ষাৎকার আর কথোপকথনের বয়ান নিয়ে এই সংকলন। সেই সঙ্গে এই আশ্চর্য মানুষটির জীবন আর কাজকে বোঝার জন্য তাঁর অনুরাগী কয়েকজনের লেখা।

     150.00
  • আব্বাস কিয়ারোস্তামি-র কথা-ছবি-কবিতা
    চেরির স্বাদ
    সংকলন ও ভাষান্তর : সন্দীপন ভট্টাচার্য

    জাঁ-লুক গোদার তাঁকে মেনেছেন একার্থে ‘ধ্রুপদী চলচ্চিত্রের শেষ নির্মাতা’ বলে। অথচ খুব ভেবেচিন্তে, পরিকল্পিত পথে এ জগতে আসা হয়নি তাঁর। বাল্যে কম-কথা-বলা মুখচোরা বালকটি—প্রাতিষ্ঠানিক পেন্টিং ও গ্রাফিক শিক্ষা; শখের ছবি তোলা ও কবিতা লেখা; পেশাগত ডিজাইন ও বিজ্ঞাপন নির্মাণ—এই সব পরিচয় ছাপিয়ে একসময় বিশ্ব-চলচ্চিত্রের মহারথীদের একজন।
    সম্প্রতি (৪ জুলাই ২০১৬) না-ফেরার দেশে চলে গেছেন মহান এই ইরানি চিত্ররূপকার। অসংখ্য জাতীয়-আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি-সম্মানে সিক্ত এই নির্মাতা—নিজেকে নিয়ে; তাঁর ছবি ও কবিতা নিয়ে; তাঁর হয়ে ওঠার সময় ও সমাজকে নিয়ে কথা বলেছেন নানা জনের সাথে নানা সময়ে নানা স্থানে। সে সব কথামালা একত্র করে, তাঁরই ছবি ও কবিতায় গেঁথে দিয়েছেন সন্দীপন ভট্টাচার্য।
    ‘চেরির স্বাদ’ গ্রন্থটি এক বর্ণিল, রূপবান কিয়ারোস্তামি-কে একেবারে ভিতর থেকে জানা-বোঝার সুযোগ করে দেবে আমাদের।

     340.00
  • মাহমুদুল হোসেন
    চলচ্চিত্রের রূপ-অরূপ

    চলমান দৃশ্য-সংবেদ নিয়ে গদ্য। প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা, বিকল্প প্রকল্প, প্রযুক্তি-আলোচনা সিনেমা বিষয়ে। অথবা প্রান্তিকতা ও জাতীয়তা বিষয়ে প্রস্তাবনা চলচ্চিত্র বিষয়েই। তার সাধারণ ও বিশেষ অবভাস নিয়ে যেমন লেখেন মাহমুদুল, তেমনি নির্দিষ্ট সৃজন বিষয়ে সাহিত্য। সংগঠন ভাবনার বিস্তার প্রিয় চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন নিয়ে। আসলে চলমান দৃশ্যমানতাই তো এখন নিয়ন্তা দিনযাপনের। গদ্যসংগ্রহটি এ সময়ের। তার প্রাসঙ্গিকতা সমকালীনতায়; তার পক্ষপাত অভিব্যক্তি রচনায়, চলচ্ছবিতে।

    নোকতা (বাংলাদেশ)-এর বই, ভারতে পরিবেশক মনফকিরা।

     385.00
  • ঋত্বিককুমার ঘটক সম্পর্কে নির্বাচিত কয়েকটি রচনা ও সাক্ষাৎকার
    ঋত্বিক-চরিত

    ঋত্বিককুমার ঘটক সম্পর্কে এ হল আমাদের প্রিয় কয়েকটি লেখা আর কথালাপের সংগ্রহ, হারিয়ে-যাওয়া পত্রিকা আর ফুরিয়ে-যাওয়া বই থেকে আহরিত। এ বইয়ের এক দিকে আছে ঋত্বিকের সঙ্গে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদের স্মৃতিচারণ। যথা দীনেন গুপ্ত, বেবি ইসলাম, রমেশ যোশি, উস্তাদ বাহাদুর খাঁ, রণেন রায়চৌধুরী ও বিজন ভট্টাচার্য। আর-এক দিকে আছে তাঁর অনুরাগীদের বিশ্লেষণ। যথা কুমার সাহানি, নিমাই ঘোষ, পার্থপ্রতিম চৌধুরী, দীপক মজুমদার, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় ও উদয়ন ঘোষ। সব মিলিয়ে ঋত্বিক-চরিতের এ এক আন্তরিক উন্মোচন।

     100.00